infoamaderdin@gmail.com রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
২৮ আষাঢ় ১৪৩৩

কক্সবাজারে পাহাড়ধসের মরণফাঁদ: ঝুঁকিতে ৫ লাখ মানুষ, সাত দিনে প্রাণ গেল ২১ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২৬ ২০:০৭ পিএম

কক্সবাজারে টানা বর্ষণে আবারও সামনে এসেছে পাহাড়ধসের ভয়াবহ চিত্র। গত সাত দিনের ভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫ জনই রোহিঙ্গা নারী ও শিশু। সর্বশেষ চকরিয়া উপজেলার বরইতলিতে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ১০ উপজেলার মধ্যে ৯ উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ মানুষ পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে বসবাস করছেন। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া ও পেকুয়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি শুরু হলেই প্রশাসনের তৎপরতা বাড়লেও বছরের বাকি সময় ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নেওয়া বা স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ খুব একটা দেখা যায় না। ফলে প্রতি বর্ষায় পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৯ বছরে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে অন্তত ৩৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ৩৩৩ জন এবং ২০১৭ সালের পর থেকে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অন্তত ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চরম ঝুঁকি

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৪ জন রোহিঙ্গা, অর্থাৎ ৮৪ হাজার ৩৮১টি পরিবার বন্যা ও পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাস করছে।

এবারের টানা বর্ষণে এক রাতেই আটজনসহ মোট ১৫ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এতে আশ্রয়শিবিরগুলোতে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

উখিয়ার ক্যাম্প-৫-এর প্রধান মাঝি দিল মোহাম্মদ জানান, ভারী বৃষ্টি হলেই পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারীরা পাহাড়ধসের ভয়ে থাকেন, আর নিচু এলাকার মানুষ থাকেন জলাবদ্ধতার আশঙ্কায়। ইতোমধ্যে ক্যাম্প-৫-এ অন্তত ২০০টি আশ্রয়ঘর প্লাবিত হয়েছে এবং অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

স্থানীয়দের রাত কাটে আতঙ্কে

রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি পাহাড়ধসের শঙ্কায় দিন কাটছে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা, দরিয়ানগর এবং চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র পরিবারের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জীবিকার অভাবে বাধ্য হয়ে পাহাড়ের ঢালে ছোট ছোট ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। বর্ষাকালে রাতভর আতঙ্কে কাটলেও বিকল্প নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে সেখানেই থাকতে হচ্ছে।

প্রশাসনের প্রস্তুতি

কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আকতার জানান, ঝিলংজা ও পৌরসভার পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ সবচেয়ে বেশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত নিরাপদ জমির অভাবে অনেক পরিবার এখনও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে।

গবেষণায় যা উঠে এসেছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে কক্সবাজারে ১২৪টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে, যা জেলাটিকে দেশের অন্যতম পাহাড়ধসপ্রবণ অঞ্চলে পরিণত করেছে।

অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ১১টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে গড়ে ৩৪ জন নিহত এবং ৫৪ জন আহত হন। জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মৌসুম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইতিহাসের ভয়াবহতা

কক্সবাজারে সবচেয়ে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে ২০১০ সালের ১৫ জুন। সেদিন রামুর হিমছড়ি এলাকায় বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে ১৭ ইসিবি সেনাক্যাম্পের ছয় সেনাসদস্যসহ মোট ৬২ জন প্রাণ হারান।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে পাহাড়ধসে ২৯ জন, ২০২২ সালে ২৫ জন, ২০২৪ সালে ১০ জন এবং চলতি বছর এ পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মত

ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী ইব্রাহীম খলিল মামুন বলেন, বর্ষা এলেই প্রশাসনের তৎপরতা দেখা গেলেও পরে বিষয়টি গুরুত্ব হারায়। একই সঙ্গে অব্যাহত পাহাড় কাটা পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রতিবছর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হলেও অনেকেই পরে আবার সেখানে ফিরে যান। স্থায়ী পুনর্বাসন ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা জানান, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ৩২০টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে পাহাড় কাটার অভিযোগেই হয়েছে ২৪৫টি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি কমাতে প্রশাসন কাজ করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য শুধু আইন প্রয়োগ নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও জরুরি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


কক্সবাজারে পাহাড়ধসের মরণফাঁদ: ঝুঁকিতে ৫ লাখ মানুষ, সাত দিনে প্রাণ গেল ২১ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২৬ ২০:০৭ পিএম

কক্সবাজারে টানা বর্ষণে আবারও সামনে এসেছে পাহাড়ধসের ভয়াবহ চিত্র। গত সাত দিনের ভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫ জনই রোহিঙ্গা নারী ও শিশু। সর্বশেষ চকরিয়া উপজেলার বরইতলিতে পাহাড়ধসে ঘুমন্ত অবস্থায় দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ১০ উপজেলার মধ্যে ৯ উপজেলায় প্রায় ৫ লাখ মানুষ পাহাড়ধসের উচ্চ ঝুঁকিতে বসবাস করছেন। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে টেকনাফ, উখিয়া, কক্সবাজার সদর, চকরিয়া ও পেকুয়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষাকালে ভারী বৃষ্টি শুরু হলেই প্রশাসনের তৎপরতা বাড়লেও বছরের বাকি সময় ঝুঁকিপূর্ণ বসতি সরিয়ে নেওয়া বা স্থায়ী পুনর্বাসনের কার্যকর উদ্যোগ খুব একটা দেখা যায় না। ফলে প্রতি বর্ষায় পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।

জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৯ বছরে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে অন্তত ৩৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ৩৩৩ জন এবং ২০১৭ সালের পর থেকে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে অন্তত ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চরম ঝুঁকি

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ৩ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৪ জন রোহিঙ্গা, অর্থাৎ ৮৪ হাজার ৩৮১টি পরিবার বন্যা ও পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাস করছে।

এবারের টানা বর্ষণে এক রাতেই আটজনসহ মোট ১৫ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এতে আশ্রয়শিবিরগুলোতে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

উখিয়ার ক্যাম্প-৫-এর প্রধান মাঝি দিল মোহাম্মদ জানান, ভারী বৃষ্টি হলেই পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারীরা পাহাড়ধসের ভয়ে থাকেন, আর নিচু এলাকার মানুষ থাকেন জলাবদ্ধতার আশঙ্কায়। ইতোমধ্যে ক্যাম্প-৫-এ অন্তত ২০০টি আশ্রয়ঘর প্লাবিত হয়েছে এবং অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

স্থানীয়দের রাত কাটে আতঙ্কে

রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি পাহাড়ধসের শঙ্কায় দিন কাটছে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা, দরিয়ানগর এবং চকরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র পরিবারের।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জীবিকার অভাবে বাধ্য হয়ে পাহাড়ের ঢালে ছোট ছোট ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছেন। বর্ষাকালে রাতভর আতঙ্কে কাটলেও বিকল্প নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে সেখানেই থাকতে হচ্ছে।

প্রশাসনের প্রস্তুতি

কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আকতার জানান, ঝিলংজা ও পৌরসভার পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ বসতি থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমান জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ সবচেয়ে বেশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও পর্যাপ্ত নিরাপদ জমির অভাবে অনেক পরিবার এখনও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে।

গবেষণায় যা উঠে এসেছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে কক্সবাজারে ১২৪টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে, যা জেলাটিকে দেশের অন্যতম পাহাড়ধসপ্রবণ অঞ্চলে পরিণত করেছে।

অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ১১টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে গড়ে ৩৪ জন নিহত এবং ৫৪ জন আহত হন। জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়কে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মৌসুম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইতিহাসের ভয়াবহতা

কক্সবাজারে সবচেয়ে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে ২০১০ সালের ১৫ জুন। সেদিন রামুর হিমছড়ি এলাকায় বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে ১৭ ইসিবি সেনাক্যাম্পের ছয় সেনাসদস্যসহ মোট ৬২ জন প্রাণ হারান।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০ সালে পাহাড়ধসে ২৯ জন, ২০২২ সালে ২৫ জন, ২০২৪ সালে ১০ জন এবং চলতি বছর এ পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মত

ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী ইব্রাহীম খলিল মামুন বলেন, বর্ষা এলেই প্রশাসনের তৎপরতা দেখা গেলেও পরে বিষয়টি গুরুত্ব হারায়। একই সঙ্গে অব্যাহত পাহাড় কাটা পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রতিবছর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হলেও অনেকেই পরে আবার সেখানে ফিরে যান। স্থায়ী পুনর্বাসন ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা জানান, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে ৩২০টি মামলা হয়েছে, যার মধ্যে পাহাড় কাটার অভিযোগেই হয়েছে ২৪৫টি।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব বলেন, পাহাড়ধসের ঝুঁকি কমাতে প্রশাসন কাজ করছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য শুধু আইন প্রয়োগ নয়, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ পুনর্বাসন নিশ্চিত করাও জরুরি।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর