infoamaderdin@gmail.com বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিতে পদে পদে ভোগান্তি, দীর্ঘ লাইনে নাজেহাল রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬ ২১:০৭ পিএম

ভোর সাড়ে পাঁচটা। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মূল ফটক তখনও খোলেনি। কিন্তু হাসপাতালের বাইরে ইতোমধ্যে শত শত রোগী ও তাদের স্বজনের দীর্ঘ সারি। কেউ হুইলচেয়ারে, কেউ লাঠির ভরসায়, আবার কেউ স্বজনের কাঁধে ভর করে অপেক্ষা করছেন। সবার লক্ষ্য মাত্র ১০ টাকার টিকিট সংগ্রহ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

তবে টিকিট পাওয়ার পরও শেষ হচ্ছে না দুর্ভোগ। চিকিৎসকের সিরিয়াল, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রিপোর্ট সংগ্রহের প্রতিটি ধাপেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের।

বুধবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টার থেকে চিকিৎসকের কক্ষ, ইসিজি, রক্ত পরীক্ষা এবং রিপোর্ট বিতরণ কেন্দ্র—সবখানেই উপচে পড়া ভিড়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে অনেক বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগী করিডোর কিংবা মেঝেতে বসে পড়ছেন। অনেককে আবার এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে যেতে স্বজনদের সহায়তা নিতে দেখা যায়।

গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ৭৫ বছর বয়সী বাবা আফজালকে নিয়ে ভোরেই হাসপাতালে আসেন গার্মেন্টসকর্মী রকিবুল আহসান। তিনি জানান, সকাল ৯টা ২০ মিনিটে টিকিট পেলেও চিকিৎসকের সিরিয়াল ও ইসিজি পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষ করে সেদিন আর রিপোর্ট হাতে পাননি। ফলে পরদিন আবার হাসপাতালে এসে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

রকিবুল বলেন, “বাবা অনেক অসুস্থ। তাকে নিয়ে বারবার হাসপাতালে আসা খুবই কষ্টকর। রিপোর্ট নিতে আবার আসতে হবে, এরপর ডাক্তার দেখাতে হবে।”

একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান সাভার থেকে আসা রাবেয়া বেগম। তিনি তার ৭০ বছর বয়সী মা হালিমা খাতুনকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ইসিজি করতে গিয়ে কাগজ জমা দিতেই ৪০ মিনিট এবং পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আরও প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু দিনশেষে রিপোর্ট না পাওয়ায় আবারও হাসপাতালে আসতে হচ্ছে তাকে। এরপর চিকিৎসকের কাছে রিপোর্ট দেখানোর পর মিলবে অস্ত্রোপচারের সম্ভাব্য তারিখ।

ডেমরা থেকে আসা মাহমুদুল হাসান জানান, তার মায়ের ছানি অপারেশনের জন্য গত সাড়ে তিন মাস ধরে হাসপাতালে আসা-যাওয়া করছেন। ইতোমধ্যে দুইবার ইসিজি করাতে হয়েছে। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা না হলে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়া আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে চিকিৎসা নিতে হলে অনেক ধৈর্য লাগে। একটি সাধারণ ছানি অপারেশন করাতেই মাসের পর মাস পার হয়ে যাচ্ছে।”

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহে ছয় দিন বহির্বিভাগে রোগী দেখা হয়। মাত্র ১০ টাকার একটি টিকিটে একজন রোগী পুরো এক বছর চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। এই সুবিধার কারণে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি নতুন এবং প্রায় দুই হাজার পুরোনো রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। ফলে বিপুল রোগীর চাপ সামাল দিতে একজন চিকিৎসককে প্রতিদিন গড়ে ১২০ থেকে ১৫০ জন পর্যন্ত রোগী দেখতে হয়।

রোগীদের অভিযোগ শুধু দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, সিরিয়াল ব্যবস্থাপনাতেও রয়েছে অনিয়ম। মোহাম্মদ ইউনূস আলী নামে এক রোগী অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও অনেক ক্ষেত্রে পরিচয়ের ভিত্তিতে কিছু রোগীর ফাইল আগে চিকিৎসকের কক্ষে পাঠানো হয়। তবে এই অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল বলেন, এটি দেশের একমাত্র ২৫০ শয্যার তৃতীয় স্তরের বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল। এখানে ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবার পাশাপাশি প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতালের জনবল ও অবকাঠামো এখনও ২৫০ শয্যার সক্ষমতার ভিত্তিতেই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সক্ষমতার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি রোগীর চাপ সামাল দিতে হচ্ছে।

তিনি জানান, মাত্র ১০ টাকার টিকিটে রোগীরা সারা বছর চিকিৎসকের পরামর্শ পান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ছানি অপারেশনের লেন্স এবং ব্যয়বহুল রেটিনার অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনজেকশনও বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। এসব কারণে রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।

ইসিজি রিপোর্ট পেতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রায় ২০০টি ইসিজি করা হয়। অধিকাংশ রোগী বয়স্ক হওয়ায় তাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকে। রোগীর নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা বা নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়। এজন্য কিছু রিপোর্ট দিতে সময় লাগে।

সিরিয়াল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের জন্য সীমিতসংখ্যক রোগী দেখার একটি অনুমোদিত ব্যবস্থা রয়েছে। এটি অনেক সময় সাধারণ রোগীদের কাছে সিরিয়াল ভঙ্গের মতো মনে হতে পারে। তবে কোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উপ-পরিচালক আরও জানান, সাধারণ চোখের সমস্যার রোগীরাও সরাসরি এই বিশেষায়িত হাসপাতালে চলে আসেন। জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালু হলে এ হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ মোকাবিলায় হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।

এদিকে, হাসপাতালের পরিচালকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিতে পদে পদে ভোগান্তি, দীর্ঘ লাইনে নাজেহাল রোগীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ জুলাই ২০২৬ ২১:০৭ পিএম

ভোর সাড়ে পাঁচটা। রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মূল ফটক তখনও খোলেনি। কিন্তু হাসপাতালের বাইরে ইতোমধ্যে শত শত রোগী ও তাদের স্বজনের দীর্ঘ সারি। কেউ হুইলচেয়ারে, কেউ লাঠির ভরসায়, আবার কেউ স্বজনের কাঁধে ভর করে অপেক্ষা করছেন। সবার লক্ষ্য মাত্র ১০ টাকার টিকিট সংগ্রহ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

তবে টিকিট পাওয়ার পরও শেষ হচ্ছে না দুর্ভোগ। চিকিৎসকের সিরিয়াল, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রিপোর্ট সংগ্রহের প্রতিটি ধাপেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের।

বুধবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, টিকিট কাউন্টার থেকে চিকিৎসকের কক্ষ, ইসিজি, রক্ত পরীক্ষা এবং রিপোর্ট বিতরণ কেন্দ্র—সবখানেই উপচে পড়া ভিড়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে অনেক বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দুর্বল রোগী করিডোর কিংবা মেঝেতে বসে পড়ছেন। অনেককে আবার এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে যেতে স্বজনদের সহায়তা নিতে দেখা যায়।

গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ৭৫ বছর বয়সী বাবা আফজালকে নিয়ে ভোরেই হাসপাতালে আসেন গার্মেন্টসকর্মী রকিবুল আহসান। তিনি জানান, সকাল ৯টা ২০ মিনিটে টিকিট পেলেও চিকিৎসকের সিরিয়াল ও ইসিজি পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষ করে সেদিন আর রিপোর্ট হাতে পাননি। ফলে পরদিন আবার হাসপাতালে এসে রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

রকিবুল বলেন, “বাবা অনেক অসুস্থ। তাকে নিয়ে বারবার হাসপাতালে আসা খুবই কষ্টকর। রিপোর্ট নিতে আবার আসতে হবে, এরপর ডাক্তার দেখাতে হবে।”

একই ধরনের ভোগান্তির কথা জানান সাভার থেকে আসা রাবেয়া বেগম। তিনি তার ৭০ বছর বয়সী মা হালিমা খাতুনকে নিয়ে হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ইসিজি করতে গিয়ে কাগজ জমা দিতেই ৪০ মিনিট এবং পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আরও প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু দিনশেষে রিপোর্ট না পাওয়ায় আবারও হাসপাতালে আসতে হচ্ছে তাকে। এরপর চিকিৎসকের কাছে রিপোর্ট দেখানোর পর মিলবে অস্ত্রোপচারের সম্ভাব্য তারিখ।

ডেমরা থেকে আসা মাহমুদুল হাসান জানান, তার মায়ের ছানি অপারেশনের জন্য গত সাড়ে তিন মাস ধরে হাসপাতালে আসা-যাওয়া করছেন। ইতোমধ্যে দুইবার ইসিজি করাতে হয়েছে। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা না হলে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়া আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এখানে চিকিৎসা নিতে হলে অনেক ধৈর্য লাগে। একটি সাধারণ ছানি অপারেশন করাতেই মাসের পর মাস পার হয়ে যাচ্ছে।”

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহে ছয় দিন বহির্বিভাগে রোগী দেখা হয়। মাত্র ১০ টাকার একটি টিকিটে একজন রোগী পুরো এক বছর চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারেন। এই সুবিধার কারণে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি নতুন এবং প্রায় দুই হাজার পুরোনো রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। ফলে বিপুল রোগীর চাপ সামাল দিতে একজন চিকিৎসককে প্রতিদিন গড়ে ১২০ থেকে ১৫০ জন পর্যন্ত রোগী দেখতে হয়।

রোগীদের অভিযোগ শুধু দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, সিরিয়াল ব্যবস্থাপনাতেও রয়েছে অনিয়ম। মোহাম্মদ ইউনূস আলী নামে এক রোগী অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও অনেক ক্ষেত্রে পরিচয়ের ভিত্তিতে কিছু রোগীর ফাইল আগে চিকিৎসকের কক্ষে পাঠানো হয়। তবে এই অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল বলেন, এটি দেশের একমাত্র ২৫০ শয্যার তৃতীয় স্তরের বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল। এখানে ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবার পাশাপাশি প্রতিদিন কয়েক হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতালের জনবল ও অবকাঠামো এখনও ২৫০ শয্যার সক্ষমতার ভিত্তিতেই পরিচালিত হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সক্ষমতার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি রোগীর চাপ সামাল দিতে হচ্ছে।

তিনি জানান, মাত্র ১০ টাকার টিকিটে রোগীরা সারা বছর চিকিৎসকের পরামর্শ পান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ছানি অপারেশনের লেন্স এবং ব্যয়বহুল রেটিনার অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনজেকশনও বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়। এসব কারণে রোগীর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।

ইসিজি রিপোর্ট পেতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, প্রতিদিন প্রায় ২০০টি ইসিজি করা হয়। অধিকাংশ রোগী বয়স্ক হওয়ায় তাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবনের ইতিহাস থাকে। রোগীর নিরাপত্তার স্বার্থে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা বা নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়। এজন্য কিছু রিপোর্ট দিতে সময় লাগে।

সিরিয়াল ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের জন্য সীমিতসংখ্যক রোগী দেখার একটি অনুমোদিত ব্যবস্থা রয়েছে। এটি অনেক সময় সাধারণ রোগীদের কাছে সিরিয়াল ভঙ্গের মতো মনে হতে পারে। তবে কোনো ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উপ-পরিচালক আরও জানান, সাধারণ চোখের সমস্যার রোগীরাও সরাসরি এই বিশেষায়িত হাসপাতালে চলে আসেন। জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালু হলে এ হাসপাতালের ওপর চাপ অনেকটাই কমবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ মোকাবিলায় হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার লক্ষ্যে ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।

এদিকে, হাসপাতালের পরিচালকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর