infoamaderdin@gmail.com সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

গ্যাস ও কাঁচামাল সংকটে চট্টগ্রামের সার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, আমন মৌসুমে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৩ আগষ্ট ২০২৬ ১৮:০৮ পিএম

চট্টগ্রামে গ্যাস ও কাঁচামালের সংকটে একের পর এক সার কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আসন্ন আমন মৌসুমে সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চারটি সার কারখানার মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোপুরি বন্ধ, আরেকটিতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে বৃহত্তম যৌথ বিনিয়োগের সার কারখানাতেও গ্যাস সংকটের কারণে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চলছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার দাবি করা হয়েছে, তবুও দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকলে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে চট্টগ্রামে চারটি সার কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। এগুলো হলো চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল), কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) এবং টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেড। এর মধ্যে সিইউএফএল ও কাফকো ইউরিয়া, ডিএপিএফসিএল ডিএপি এবং টিএসপি কমপ্লেক্স টিএসপি সার উৎপাদন করে।

গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত সিইউএফএল গত ৪ মার্চ থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানার প্রধান রসায়নবিদ উত্তম চৌধুরীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৫ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদিত হয়েছে। আগের অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন। নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে চলতি অর্থবছরে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব হতো বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডিএপিএফসিএলে কাঁচামালের অভাবে টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ জুন থেকে ফসফরিক অ্যাসিডের সংকটের কারণে কারখানাটিতে উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

কারখানা সূত্র জানায়, ডিএপি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির জন্য বিসিআইসি চলতি বছরের জানুয়ারিতে দরপত্র আহ্বান করে এবং ২০ হাজার টন সরবরাহের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাঁচামাল দেশে পৌঁছায়নি।

ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক বলেন, ফসফরিক অ্যাসিডের সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। দ্রুত কাঁচামাল সংগ্রহ করে উৎপাদন পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে।

এদিকে কর্ণফুলী উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় অবস্থিত কাফকোতে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ না হলেও গ্যাস সরবরাহ সীমিত থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কাফকোর দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন এবং অ্যামোনিয়া উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। প্রতিষ্ঠানটির চিফ পার্সোনেল আবদুল্লাহ ফারুক জানিয়েছেন, গ্যাস ব্যবহারে সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার কারণে চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় বোরো ধানের আবাদ কমে যাওয়ায় কৃষকদের আমন চাষের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে চট্টগ্রাম জেলায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামে ইউরিয়ার চাহিদা ৪৭ হাজার ৩৬৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ২৪ হাজার ৬২৭ মেট্রিক টন, ডিএপি ২৫ হাজার ৫৪২ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১২ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন।

মাঠপর্যায়ের কৃষকদের আশঙ্কা, বর্তমানে গুদামে পর্যাপ্ত সার থাকলেও উৎপাদনকারী কারখানাগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে আমন মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইউরিয়া ও ডিএপি সারের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে সময়মতো সার না পাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আনোয়ারা ও বোয়ালখালীর একাধিক কৃষক বলেন, বোরো চাষ কমে যাওয়ায় এখন আমনই তাদের প্রধান ভরসা। তাই ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে সারের মজুত এবং নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে দেশের শিল্প খাতে চলমান গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিল্প উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সার সংকটের আশঙ্কা নাকচ করে বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে এবং পাইপলাইনে পর্যাপ্ত সরবরাহও নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক আপ্রু মারমা বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামে অন্তত তিন মাসের চাহিদা পূরণের মতো রাসায়নিক সার মজুত রয়েছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে সার সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।

তবে উৎপাদনকারী কারখানাগুলো দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে না পারলে আমন মৌসুমের চাহিদা মেটাতে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত আমদানির প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


গ্যাস ও কাঁচামাল সংকটে চট্টগ্রামের সার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, আমন মৌসুমে সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ আগষ্ট ২০২৬ ১৮:০৮ পিএম

চট্টগ্রামে গ্যাস ও কাঁচামালের সংকটে একের পর এক সার কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আসন্ন আমন মৌসুমে সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। চারটি সার কারখানার মধ্যে একটি দীর্ঘদিন ধরে পুরোপুরি বন্ধ, আরেকটিতে কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে বৃহত্তম যৌথ বিনিয়োগের সার কারখানাতেও গ্যাস সংকটের কারণে সীমিত পরিসরে উৎপাদন চলছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার দাবি করা হয়েছে, তবুও দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকলে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) অধীনে চট্টগ্রামে চারটি সার কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। এগুলো হলো চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল), কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) এবং টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেড। এর মধ্যে সিইউএফএল ও কাফকো ইউরিয়া, ডিএপিএফসিএল ডিএপি এবং টিএসপি কমপ্লেক্স টিএসপি সার উৎপাদন করে।

গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত সিইউএফএল গত ৪ মার্চ থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। কারখানার প্রধান রসায়নবিদ উত্তম চৌধুরীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৫ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদিত হয়েছে। আগের অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার টন। নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত হলে চলতি অর্থবছরে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব হতো বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ডিএপিএফসিএলে কাঁচামালের অভাবে টানা এক মাসের বেশি সময় ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ জুন থেকে ফসফরিক অ্যাসিডের সংকটের কারণে কারখানাটিতে উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

কারখানা সূত্র জানায়, ডিএপি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল ফসফরিক অ্যাসিড আমদানির জন্য বিসিআইসি চলতি বছরের জানুয়ারিতে দরপত্র আহ্বান করে এবং ২০ হাজার টন সরবরাহের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে কাঁচামাল দেশে পৌঁছায়নি।

ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক বলেন, ফসফরিক অ্যাসিডের সংকটের কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। দ্রুত কাঁচামাল সংগ্রহ করে উৎপাদন পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে।

এদিকে কর্ণফুলী উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় অবস্থিত কাফকোতে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ না হলেও গ্যাস সরবরাহ সীমিত থাকায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কাফকোর দৈনিক ইউরিয়া উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৭২৫ মেট্রিক টন এবং অ্যামোনিয়া উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। প্রতিষ্ঠানটির চিফ পার্সোনেল আবদুল্লাহ ফারুক জানিয়েছেন, গ্যাস ব্যবহারে সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় সীমিত পরিসরে উৎপাদন চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততার কারণে চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকায় বোরো ধানের আবাদ কমে যাওয়ায় কৃষকদের আমন চাষের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে চট্টগ্রাম জেলায় ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৮০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে চট্টগ্রামে ইউরিয়ার চাহিদা ৪৭ হাজার ৩৬৬ মেট্রিক টন, টিএসপি ২৪ হাজার ৬২৭ মেট্রিক টন, ডিএপি ২৫ হাজার ৫৪২ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১২ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন।

মাঠপর্যায়ের কৃষকদের আশঙ্কা, বর্তমানে গুদামে পর্যাপ্ত সার থাকলেও উৎপাদনকারী কারখানাগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে আমন মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ইউরিয়া ও ডিএপি সারের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে সময়মতো সার না পাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আনোয়ারা ও বোয়ালখালীর একাধিক কৃষক বলেন, বোরো চাষ কমে যাওয়ায় এখন আমনই তাদের প্রধান ভরসা। তাই ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে সারের মজুত এবং নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদনকারী কারখানাগুলো দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে দেশের শিল্প খাতে চলমান গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিল্প উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সার সংকটের আশঙ্কা নাকচ করে বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে এবং পাইপলাইনে পর্যাপ্ত সরবরাহও নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক আপ্রু মারমা বলেন, বর্তমানে চট্টগ্রামে অন্তত তিন মাসের চাহিদা পূরণের মতো রাসায়নিক সার মজুত রয়েছে। তাই তাৎক্ষণিকভাবে সার সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।

তবে উৎপাদনকারী কারখানাগুলো দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে না পারলে আমন মৌসুমের চাহিদা মেটাতে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত আমদানির প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর