infoamaderdin@gmail.com বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

নতুন পে স্কেলের টাকা জোগাতে এনবিআরের ওপর ৬.০৪ লাখ কোটি রাজস্বের চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:০৯ পিএম

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে বছরে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থের সংস্থান করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চলতি অর্থবছরের নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর এনবিআর কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ নির্দেশনা দেন বলে বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায় ছিল ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে।

এনবিআর কর্মকর্তাদের মতে, এত বড় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অত্যন্ত কঠিন। কারণ স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ে কখনোই ২৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির রেকর্ড নেই। এর মধ্যে নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে রাজস্ব আদায়ের ওপর সরকারের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, উপদেষ্টা তাদের যেকোনো মূল্যে চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নির্দেশনা দিয়েছেন।

আরেক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হয়েছে এবং সেই বাড়তি অর্থের জোগান এনবিআরকে দিতে হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে।

সোমবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেলের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে দেশের প্রায় ২৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী সরাসরি উপকৃত হবেন। নতুন পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তবে অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে এনবিআরের জন্য এই বিশাল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাঁদের ভাষ্য, অর্থনীতির গতি কমে যাওয়া, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং আমদানি কমে যাওয়ার কারণে রাজস্ব আদায়ের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে যেসব পণ্য আমদানির মাধ্যমে সরকার বড় অঙ্কের শুল্ক ও কর পায়, সেসব পণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রাজস্ব আদায়ে ধীরগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর শুরু হলেও এনবিআর জুলাইয়ের রাজস্ব আদায়ের তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এনবিআর কর্মকর্তা জানান, জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৯ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। আগের বছরের একই মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছিল ১১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় কমেছে ২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

কর্মকর্তার দেওয়া সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, আগস্টেও ভ্যাট আদায় কমেছে। ওই মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৮ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ১১ হাজার ৮১ কোটি টাকা।

এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, আমদানি শুল্ক ও সংশ্লিষ্ট কর আদায়ও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর নির্দেশনার বিষয়ে মন্তব্য জানতে উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অর্থনীতিবিদরাও চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ডিস্টিংগুইশড ফেলো ফাহমিদা খাতুনের মতে, এনবিআরের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।

তিনি বলেন, এনবিআরের কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে সংস্থাটির সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতাও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অনুকূলে নয়। ফলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে।

ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, এনবিআরে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অর্থবহ সংস্কার দেখা যায়নি। কর্মকর্তাদের দক্ষতারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। পাশাপাশি করের আওতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।

তাঁর ভাষ্য, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি বেশি, ব্যবসার ব্যয় বেড়েছে, বিনিয়োগ কমেছে এবং শিল্প খাত সংকুচিত হচ্ছে। এর সঙ্গে নতুন করে জ্বালানি সংকট যুক্ত হয়েছে। আমদানিও কমেছে। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি দুর্বল থাকলে ভ্যাট ও কর আদায়ে কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া কঠিন।

নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে এনবিআরের ওপর যে রাজস্ব আদায়ের চাপ তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু আদায় বাড়ানোর উদ্যোগ নয়, করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং রাজস্ব প্রশাসনের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারও জরুরি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


নতুন পে স্কেলের টাকা জোগাতে এনবিআরের ওপর ৬.০৪ লাখ কোটি রাজস্বের চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:০৯ পিএম

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে বছরে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থের সংস্থান করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চলতি অর্থবছরের নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর এনবিআর কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ নির্দেশনা দেন বলে বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে এনবিআরের রাজস্ব আদায় ছিল ৪ লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায় করতে হবে।

এনবিআর কর্মকর্তাদের মতে, এত বড় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অত্যন্ত কঠিন। কারণ স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ে কখনোই ২৭ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধির রেকর্ড নেই। এর মধ্যে নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে রাজস্ব আদায়ের ওপর সরকারের বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, উপদেষ্টা তাদের যেকোনো মূল্যে চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নির্দেশনা দিয়েছেন।

আরেক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানো হয়েছে এবং সেই বাড়তি অর্থের জোগান এনবিআরকে দিতে হবে বলে বৈঠকে জানানো হয়েছে।

সোমবার সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেলের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে দেশের প্রায় ২৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী সরাসরি উপকৃত হবেন। নতুন পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

তবে অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে এনবিআরের জন্য এই বিশাল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাঁদের ভাষ্য, অর্থনীতির গতি কমে যাওয়া, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং আমদানি কমে যাওয়ার কারণে রাজস্ব আদায়ের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে যেসব পণ্য আমদানির মাধ্যমে সরকার বড় অঙ্কের শুল্ক ও কর পায়, সেসব পণ্যের আমদানি কমে যাওয়ায় রাজস্ব আদায়েও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রাজস্ব আদায়ে ধীরগতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর শুরু হলেও এনবিআর জুলাইয়ের রাজস্ব আদায়ের তথ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এনবিআর কর্মকর্তা জানান, জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৯ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। আগের বছরের একই মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছিল ১১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জুলাইয়ে ভ্যাট আদায় কমেছে ২ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

কর্মকর্তার দেওয়া সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, আগস্টেও ভ্যাট আদায় কমেছে। ওই মাসে ভ্যাট আদায় হয়েছে ৮ হাজার ৩৬২ কোটি টাকা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ১১ হাজার ৮১ কোটি টাকা।

এনবিআর কর্মকর্তারা জানান, আমদানি শুল্ক ও সংশ্লিষ্ট কর আদায়ও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর নির্দেশনার বিষয়ে মন্তব্য জানতে উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অর্থনীতিবিদরাও চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ডিস্টিংগুইশড ফেলো ফাহমিদা খাতুনের মতে, এনবিআরের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।

তিনি বলেন, এনবিআরের কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে সংস্থাটির সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতাও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অনুকূলে নয়। ফলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা অত্যন্ত কঠিন হবে।

ফাহমিদা খাতুন আরও বলেন, এনবিআরে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অর্থবহ সংস্কার দেখা যায়নি। কর্মকর্তাদের দক্ষতারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। পাশাপাশি করের আওতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।

তাঁর ভাষ্য, বর্তমান সরকার একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি বেশি, ব্যবসার ব্যয় বেড়েছে, বিনিয়োগ কমেছে এবং শিল্প খাত সংকুচিত হচ্ছে। এর সঙ্গে নতুন করে জ্বালানি সংকট যুক্ত হয়েছে। আমদানিও কমেছে। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিস্থিতি দুর্বল থাকলে ভ্যাট ও কর আদায়ে কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া কঠিন।

নতুন পে স্কেলের বাড়তি ব্যয় মেটাতে এনবিআরের ওপর যে রাজস্ব আদায়ের চাপ তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু আদায় বাড়ানোর উদ্যোগ নয়, করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ এবং রাজস্ব প্রশাসনের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারও জরুরি বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর