infoamaderdin@gmail.com সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

দেশের সব স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বসছে সিসিটিভি, ঢাকায় বসেই দেখা যাবে ক্লাস—বড় পরিকল্পনায় সরকার

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৬ ১৮:০৭ পিএম

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ধাপে ধাপে আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

এসব ক্যামেরা একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, যার মাধ্যমে ঢাকায় বসেই দেশের যেকোনো বিদ্যালয়ের পাঠদান, শিক্ষকের উপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার এবং শ্রেণিকক্ষের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। শিক্ষা প্রশাসনের ভাষ্য, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শিক্ষার মান উন্নয়ন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রথম ধাপে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যমান সিসিটিভি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলোকে ক্যামেরার সংখ্যা, ধরন, ব্র্যান্ড, এনভিআর বা ডিভিআর মডেল, ইন্টারনেট সংযোগের সক্ষমতা এবং কেন্দ্রীয় অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি সম্পর্কিত তথ্য নির্ধারিত অনলাইন ফরমে জমা দিতে বলা হয়েছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো শুরুতেই এই ব্যবস্থার আওতায় আনা যাবে, তা নির্ধারণ করবে মাউশি।

বর্তমানে দেশের অনেক বিদ্যালয়ে নিজস্ব উদ্যোগে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলো কেবল স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়। নতুন পরিকল্পনায় আইপি-ভিত্তিক ক্যামেরাগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এরপর অনুমোদিত কর্মকর্তারা ঢাকায় বসেই প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের যেকোনো বিদ্যালয় বা নির্দিষ্ট শ্রেণিকক্ষের লাইভ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষক সময়মতো শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেছেন কি না, নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে কি না, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কেমন এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে কি না—এসব বিষয় সহজেই জানা যাবে। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এতে শিক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।

তবে এই ব্যবস্থা একযোগে দেশের সব বিদ্যালয়ে চালু করা হবে না। প্রথমে যেসব প্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ এবং আইপি-ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিদ্যালয়ও যুক্ত হবে।

শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি শুধু নজরদারির জন্য ক্যামেরা বসানোর প্রকল্প নয়; বরং একটি আধুনিক ডিজিটাল মনিটরিং অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে এবং কোথাও কোনো সমস্যা বা অনিয়ম দেখা দিলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ভিডিও তথ্য সংরক্ষণেও এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

চলতি বছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে কেন্দ্রীয়ভাবে সিসিটিভি মনিটরিং চালুর পর ইতিবাচক ফল পাওয়ার দাবিও করছে শিক্ষা প্রশাসন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় নকলের অভিযোগ এবং বহিষ্কারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার শ্রেণিকক্ষেও প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য কোনোভাবেই শিক্ষকদের ওপর নজরদারি বাড়ানো নয়; বরং প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং তথ্যভিত্তিক করা। তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা তৈরিই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অন্যদিকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও সম্প্রতি প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, দেশের যেকোনো বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ করা গেলে শিক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২০ হাজার ৯৬০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৯৪ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং পাঠদান করছেন ২ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি শিক্ষক। এত বড় শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে প্রকল্পের অর্থায়ন, বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সূচি, ক্যামেরা স্থাপনের ব্যয় কে বহন করবে এবং কেন্দ্রীয় সার্ভারের প্রযুক্তিগত কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ফলে শিক্ষা খাতে সরকারের এই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ বাস্তবে কত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


দেশের সব স্কুলের শ্রেণিকক্ষে বসছে সিসিটিভি, ঢাকায় বসেই দেখা যাবে ক্লাস—বড় পরিকল্পনায় সরকার


প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৬ ১৮:০৭ পিএম

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে ধাপে ধাপে আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।

এসব ক্যামেরা একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে, যার মাধ্যমে ঢাকায় বসেই দেশের যেকোনো বিদ্যালয়ের পাঠদান, শিক্ষকের উপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার এবং শ্রেণিকক্ষের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। শিক্ষা প্রশাসনের ভাষ্য, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শিক্ষার মান উন্নয়ন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রথম ধাপে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যমান সিসিটিভি ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলোকে ক্যামেরার সংখ্যা, ধরন, ব্র্যান্ড, এনভিআর বা ডিভিআর মডেল, ইন্টারনেট সংযোগের সক্ষমতা এবং কেন্দ্রীয় অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি সম্পর্কিত তথ্য নির্ধারিত অনলাইন ফরমে জমা দিতে বলা হয়েছে। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো শুরুতেই এই ব্যবস্থার আওতায় আনা যাবে, তা নির্ধারণ করবে মাউশি।

বর্তমানে দেশের অনেক বিদ্যালয়ে নিজস্ব উদ্যোগে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলো কেবল স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়। নতুন পরিকল্পনায় আইপি-ভিত্তিক ক্যামেরাগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। এরপর অনুমোদিত কর্মকর্তারা ঢাকায় বসেই প্রয়োজন অনুযায়ী দেশের যেকোনো বিদ্যালয় বা নির্দিষ্ট শ্রেণিকক্ষের লাইভ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষক সময়মতো শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেছেন কি না, নিয়মিত পাঠদান হচ্ছে কি না, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কেমন এবং শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে কি না—এসব বিষয় সহজেই জানা যাবে। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এতে শিক্ষা কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়বে।

তবে এই ব্যবস্থা একযোগে দেশের সব বিদ্যালয়ে চালু করা হবে না। প্রথমে যেসব প্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ এবং আইপি-ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরাসহ প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো রয়েছে, সেগুলোকে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিদ্যালয়ও যুক্ত হবে।

শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি শুধু নজরদারির জন্য ক্যামেরা বসানোর প্রকল্প নয়; বরং একটি আধুনিক ডিজিটাল মনিটরিং অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে এবং কোথাও কোনো সমস্যা বা অনিয়ম দেখা দিলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ভিডিও তথ্য সংরক্ষণেও এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

চলতি বছর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে কেন্দ্রীয়ভাবে সিসিটিভি মনিটরিং চালুর পর ইতিবাচক ফল পাওয়ার দাবিও করছে শিক্ষা প্রশাসন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় নকলের অভিযোগ এবং বহিষ্কারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই এবার শ্রেণিকক্ষেও প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেছেন, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য কোনোভাবেই শিক্ষকদের ওপর নজরদারি বাড়ানো নয়; বরং প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ এবং তথ্যভিত্তিক করা। তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা তৈরিই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অন্যদিকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও সম্প্রতি প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, দেশের যেকোনো বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ করা গেলে শিক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২০ হাজার ৯৬০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৯৪ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং পাঠদান করছেন ২ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি শিক্ষক। এত বড় শিক্ষা ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে প্রকল্পের অর্থায়ন, বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সূচি, ক্যামেরা স্থাপনের ব্যয় কে বহন করবে এবং কেন্দ্রীয় সার্ভারের প্রযুক্তিগত কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। ফলে শিক্ষা খাতে সরকারের এই প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ বাস্তবে কত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্টদের।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর