infoamaderdin@gmail.com রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২২ ভাদ্র ১৪৩৩

নড়াইলে ৬ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:০৯ পিএম

নড়াইলে ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক মাহবুবুর রহমান।

নড়াইল পৌরসভার একটি হেফজ মাদ্রাসায় অন্তত ছয়জন শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের (বলাৎকার) অভিযোগে শিক্ষক মাহবুবুর রহমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

অভিযুক্ত মাহবুবুর নড়াইল সদরের মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তাফসীর উদ্দিন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে শিক্ষক।

এর আগে ধর্ষণের ঘটনায় গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) নড়াইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী এক শিশুর মা।

পৌরসভার ডুমুরতলা এলাকার ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত তাফসীর উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় বর্তমানে দুজন শিক্ষকের অধীনে ১৪ জন ছাত্র হেফজ বিভাগে পড়ালেখা করছে। তাদের মধ্যে ছয়জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর মা ছেলে খোঁজ নিতে মাদ্রাসায় আসেন। এ সময় শিশুটি তার মাকে জানায়, শিক্ষক মাহবুবুর রহমান আগের রাতে (২৭ আগস্ট) তাকে ধর্ষণ করেছে। বিষয়টি মাদ্রাসার অন্য শিক্ষককে জানান শিশুটির মা। পরে ওই শিক্ষকের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয় ভুক্তভোগী শিশুটি।

এদিকে মাদ্রাসার আরও পাঁচ শিশু জানায়, গত কয়েকদিন ধরে তাদেরও ধর্ষণ করেছে শিক্ষক মাহবুবুর। এসব ঘটনা জানাজানির পর ২৮ আগস্ট মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যান তিনি।

নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, গ্রেপ্তারের পর আসামি মাহবুবুরকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


নড়াইলে ৬ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:০৯ পিএম

নড়াইলে ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক মাহবুবুর রহমান।

নড়াইল পৌরসভার একটি হেফজ মাদ্রাসায় অন্তত ছয়জন শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের (বলাৎকার) অভিযোগে শিক্ষক মাহবুবুর রহমানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে গাজীপুরের গাছা থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

অভিযুক্ত মাহবুবুর নড়াইল সদরের মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তাফসীর উদ্দিন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে শিক্ষক।

এর আগে ধর্ষণের ঘটনায় গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) নড়াইল সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী এক শিশুর মা।

পৌরসভার ডুমুরতলা এলাকার ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত তাফসীর উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসায় বর্তমানে দুজন শিক্ষকের অধীনে ১৪ জন ছাত্র হেফজ বিভাগে পড়ালেখা করছে। তাদের মধ্যে ছয়জনকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মামলার বিবরণ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট বিকেলে ভুক্তভোগী শিশুর মা ছেলে খোঁজ নিতে মাদ্রাসায় আসেন। এ সময় শিশুটি তার মাকে জানায়, শিক্ষক মাহবুবুর রহমান আগের রাতে (২৭ আগস্ট) তাকে ধর্ষণ করেছে। বিষয়টি মাদ্রাসার অন্য শিক্ষককে জানান শিশুটির মা। পরে ওই শিক্ষকের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয় ভুক্তভোগী শিশুটি।

এদিকে মাদ্রাসার আরও পাঁচ শিশু জানায়, গত কয়েকদিন ধরে তাদেরও ধর্ষণ করেছে শিক্ষক মাহবুবুর। এসব ঘটনা জানাজানির পর ২৮ আগস্ট মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যান তিনি।

নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, গ্রেপ্তারের পর আসামি মাহবুবুরকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর