infoamaderdin@gmail.com মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
১০ ভাদ্র ১৪৩৩

মাথায় মাছের ঝুড়ি আর বুকে একাকিত্বের ক্ষত, সনেকা রায়ের ২০ বছরের সংগ্রাম

সেলিম রেজা প্রকাশিত: ২৫ আগষ্ট ২০২৬ ১৭:০৮ পিএম

মাথায় মাছের ঝুড়ি আর চোখে ক্লান্তি, তবুও থেমে নেই জীবনযুদ্ধ। নীলফামারীর সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের জেলেপাড়া এলাকার সনেকা রায় (৬১) গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এভাবেই হেঁটে হেঁটে মাছ বিক্রি করছেন।

স্বামী পোশেন রায়ের অকাল মৃত্যুর পর থেকে জীবনসংগ্রাম আর একাকিত্বই হয়ে উঠেছে তার নিত্যদিনের সঙ্গী।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে শহরের আনন্দ বাবুর ব্রিজ এলাকায় কথা হয় এই লড়াকু নারীর সাথে। তিনি জানান, প্রতিদিন ভোরে উঠে শহরের বড় বাজার মাছের আড়ত থেকে রুই, কাতলা, সিলভার কার্পসহ নানা পদের মাছ পাইকারি দামে সংগ্রহ করেন। এরপর সেই মাছের ভারী ঝুড়ি মাথায় নিয়ে শহরের অলিগলি ও গ্রামের বাসা-বাড়িতে হেঁটে হেঁটে বিক্রি করেন।

স্বামীর পোশেন রায়ের অকাল মৃত্যুর পর জীবনসঙ্গী হারানোর ক্ষত বুকে চেপে নিজের অন্নসংস্থানের তাগিদেই এই কঠিন পথ বেছে নিয়েছিলেন সনেকা রায়। বয়সের ভারে শরীর এখন আগের মতো সঙ্গ না দিলেও পেটের দায়ে ও বেঁচে থাকার তাগিদে আজও তাকে মাথায় ঝুড়ি নিয়ে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ হাঁটতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, সনেকা রায় এলাকার একজন পরিচিত ও পরিশ্রমী মুখ। একাকিত্ব আর দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে দীর্ঘ দুই দশক ধরে তিনি যেভাবে সততার সাথে জীবিকা নির্বাহ করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


মাথায় মাছের ঝুড়ি আর বুকে একাকিত্বের ক্ষত, সনেকা রায়ের ২০ বছরের সংগ্রাম

সেলিম রেজা

প্রকাশিত: ২৫ আগষ্ট ২০২৬ ১৭:০৮ পিএম

মাথায় মাছের ঝুড়ি আর চোখে ক্লান্তি, তবুও থেমে নেই জীবনযুদ্ধ। নীলফামারীর সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের জেলেপাড়া এলাকার সনেকা রায় (৬১) গত ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এভাবেই হেঁটে হেঁটে মাছ বিক্রি করছেন।

স্বামী পোশেন রায়ের অকাল মৃত্যুর পর থেকে জীবনসংগ্রাম আর একাকিত্বই হয়ে উঠেছে তার নিত্যদিনের সঙ্গী।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে শহরের আনন্দ বাবুর ব্রিজ এলাকায় কথা হয় এই লড়াকু নারীর সাথে। তিনি জানান, প্রতিদিন ভোরে উঠে শহরের বড় বাজার মাছের আড়ত থেকে রুই, কাতলা, সিলভার কার্পসহ নানা পদের মাছ পাইকারি দামে সংগ্রহ করেন। এরপর সেই মাছের ভারী ঝুড়ি মাথায় নিয়ে শহরের অলিগলি ও গ্রামের বাসা-বাড়িতে হেঁটে হেঁটে বিক্রি করেন।

স্বামীর পোশেন রায়ের অকাল মৃত্যুর পর জীবনসঙ্গী হারানোর ক্ষত বুকে চেপে নিজের অন্নসংস্থানের তাগিদেই এই কঠিন পথ বেছে নিয়েছিলেন সনেকা রায়। বয়সের ভারে শরীর এখন আগের মতো সঙ্গ না দিলেও পেটের দায়ে ও বেঁচে থাকার তাগিদে আজও তাকে মাথায় ঝুড়ি নিয়ে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পথ হাঁটতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, সনেকা রায় এলাকার একজন পরিচিত ও পরিশ্রমী মুখ। একাকিত্ব আর দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে দীর্ঘ দুই দশক ধরে তিনি যেভাবে সততার সাথে জীবিকা নির্বাহ করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর