সচিবালয় ঘেরাওয়ে পুলিশের বাধা, জিরো পয়েন্টে আটকে গেল ১১ দলীয় ঐক্যের মিছিল
রাজধানীর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা। জ্বালানি তেল ও গ্যাসসংকট, বিদ্যুতের ‘ভূতুড়ে বিল’, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিরোধী দলগুলোর শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে বেলা ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা সচিবালয়ের উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে রওনা হন। তবে মিছিলটি জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করার পর পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের অগ্রযাত্রা আটকে দেয়। এতে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। কর্মসূচিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা অংশ নেন।
এর আগে একই দিন বেলা ১১টার পর রাজধানীর মুক্তাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচি চলাকালে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৃষ্টি শুরু হলেও তা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা রাজপথে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট, বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদ জানান। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. হামিদুর রহমান আযাদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।
১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, জনগণের নিত্যদিনের দুর্ভোগ ও অর্থনৈতিক সংকটের বিষয়গুলো তুলে ধরতেই তারা এই কর্মসূচি পালন করছেন। অন্যদিকে সচিবালয়ের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পুলিশ মিছিলের অগ্রযাত্রায় বাধা দেয়।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: