infoamaderdin@gmail.com মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

নেপালের একটি বাড়ি থেকে শিশুসহ ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:০৯ পিএম

আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর লিখু নদীর তীরে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি। রয়টার্স

নেপালের বন্যা-বিধ্বস্ত বিদুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, বাড়িটিতে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ওই এলাকার পুলিশ সুপার বিপিন রেগমি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছেন।

রেগমি বলেন, ‘আমরা সন্দেহ করছি সেখানে আরও মৃতদেহ চাপা পড়ে আছে। উদ্ধারকারীরা মঙ্গলবার সকাল থেকে মৃতদেহের সন্ধান চালিয়ে যাবে।

বেত্রাবতী পৌরসভার কর্মকর্তা মঙ্গল তামাংয়ের বলেন, ‘কাদার নিচে চাপা পড়া মরদেহগুলোর মধ্যে একটি ছিল শিশুর, বাকিগুলো প্রাপ্তবয়স্কদের।’

তিনি বলেন, ‘ছয়টি মরদেহ বিমানযোগে কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিগুলো আপাতত শহরেই রয়েছে, তবে সেগুলো নেপালের রাজধানীতে পাঠানো হবে।’

তামাং বলেন, ‘আমরা একই জায়গায় এবং আশেপাশের বাড়িগুলোতে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের কারণেই এ দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। এর ফলে পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ তীব্র বেগে নেমে আসে।

সোমবার নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ৯০৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ৪,২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। যাদের মধ্যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ জন অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, চীনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিরং কাউন্টিতে ১৬ জন নিহত এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩৯টি দেশের প্রায় ৫৯০ জন বিদেশি নাগরিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বন্যা-বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে ৩২৩ জন বিদেশি নাগরিকসহ ১০,০০০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রেড ক্রস অনুমান করেছে, এই দুর্যোগে ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


নেপালের একটি বাড়ি থেকে শিশুসহ ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:০৯ পিএম

আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের পর লিখু নদীর তীরে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি। রয়টার্স

নেপালের বন্যা-বিধ্বস্ত বিদুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, বাড়িটিতে আরও মরদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে।

মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ওই এলাকার পুলিশ সুপার বিপিন রেগমি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছেন।

রেগমি বলেন, ‘আমরা সন্দেহ করছি সেখানে আরও মৃতদেহ চাপা পড়ে আছে। উদ্ধারকারীরা মঙ্গলবার সকাল থেকে মৃতদেহের সন্ধান চালিয়ে যাবে।

বেত্রাবতী পৌরসভার কর্মকর্তা মঙ্গল তামাংয়ের বলেন, ‘কাদার নিচে চাপা পড়া মরদেহগুলোর মধ্যে একটি ছিল শিশুর, বাকিগুলো প্রাপ্তবয়স্কদের।’

তিনি বলেন, ‘ছয়টি মরদেহ বিমানযোগে কাঠমান্ডুতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিগুলো আপাতত শহরেই রয়েছে, তবে সেগুলো নেপালের রাজধানীতে পাঠানো হবে।’

তামাং বলেন, ‘আমরা একই জায়গায় এবং আশেপাশের বাড়িগুলোতে অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, গত ২৬ আগস্ট চীন-নেপাল সীমান্তে হিমবাহ ধসের কারণেই এ দুর্যোগের সৃষ্টি হয়। এর ফলে পানির সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ তীব্র বেগে নেমে আসে।

সোমবার নেপালি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বন্যায় এখন পর্যন্ত ৯০৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ৪,২৪৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। যাদের মধ্যে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ৯৩৩ জন অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, চীনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিরং কাউন্টিতে ১৬ জন নিহত এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩৯টি দেশের প্রায় ৫৯০ জন বিদেশি নাগরিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বন্যা-বিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে ৩২৩ জন বিদেশি নাগরিকসহ ১০,০০০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রেড ক্রস অনুমান করেছে, এই দুর্যোগে ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর