infoamaderdin@gmail.com সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩

বন্যাকবলিত এলাকায় জামায়াত আমীর ভোটের প্রচারণা করতে গেছেন: রাশেদ খান

মিনহাজুল ইসলাম প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৬ ২০:০৭ পিএম

চট্টগ্রামে বন্যাকবলিত এলাকায় জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান ভোটের প্রচারণা করতে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খান।

সোমবার (১৩ জুলাই) নিজ ফেসবুক আইডিতে করা এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকায় জামায়াত আমীর তাঁর নিজ আসনের জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলেও মনে করেন তিনি। নিম্নে পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

"জামায়াতের আমির চট্টগ্রামে গিয়ে পানিতে নামলেন, পাঞ্জাবি খুলে ফেললেন। কিন্তু তার নিজ আসনে তিনি রিকসা থেকে নামলেন না, পাঞ্জাবিও খুললেন না, চকলেট খেতে কারও হাতে ১ হাজার টাকার নোট গুঁজেও দিলেন না! বরং একজন ভোটার তাকে রাস্তায় পানি জমার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ করলো, তিনি এরপরও হাসতে হাসতে হাত নাড়তে নাড়তে বিদায় নিলেন! তার সাথে কথা বলার প্রয়োজন মনে করলেন না! আমিরের এসব দেখে মনে হচ্ছে, তিনি ভোটের প্রচারণা করতে গেছেন! আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যেহেতু তার এলাকার উন্নয়নের সব দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন, এখানে তার পানিতে না নামলেও চলবে! জামায়াতের উত্তরের মেয়র প্রার্থী জনাব সেলিম উদ্দিনও ভ্যানগাড়িতে চড়ে হাত নাড়ানাড়ি করে বেড়াচ্ছেন। এসব করে তারা ফেসবুকে প্রচার করছেন যে, আমরা জনগণের কাছে গেছি। জনগণের কাছে গিয়ে হাসিমুখে হাত নাড়লেই কি পানি নেমে যাবে আর জনগণের কষ্ট লাঘব হয়ে যাবে? এতো কষ্ট বুঝলে এই পানি নিষ্কাশন ও ময়লা পরিষ্কারে নেমে যান। কিন্তু তা করবেন না। করবেন শুধু সমালোচনা আর ফুটেজবাজি!

এদিকে বিএনপির ঢাকা উত্তরের প্রশাসক জনাব শফিকুল ইসলাম মিল্টন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ছাত্রদল যুবদলের পুলাপান নিয়ে পানি নিষ্কাশনে নেমে গেছেন। হ্যা, এটা তার দায়িত্বও বটে। দক্ষিণের প্রশাসকও কাজ করছেন। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম নিজেও গাবতলিতে জলাবদ্ধ এলাকায় গেছেন। সামগ্রিক বিষয়গুলো তদারকি করছেন ও সারাদেশের প্রশাসকদের নিয়মিত নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়মিত আপডেট প্রদান করছেন। শুধুমাত্র চেহারা দেখালে আর জামাকাপড় খুলে ফেললেই মানুষের কষ্ট লাঘব হবেনা। পানি নিষ্কাশনে যা করণীয় সবকিছু সরকার প্রধানের নির্দেশনায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রশাসক, মেয়র, স্থানীয় এমপিরা করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশেও বিএনপি দলগতভাবে ও সরকারিভাবে দাঁড়াচ্ছে ও সবার জন্য পুর্নবাসনের ব্যবস্থাও করবে, ইনশাআল্লাহ।

দেখেন, বিএনপির এমপি-মন্ত্রীদের সমস্যা ফুটেজ খেতে জামাকাপড়, পাঞ্জাবি খুলতে পারেনা, তারা শুধু নীরবে নিভৃতে কাজ করতে জানে। কিন্তু তাদের বোঝা উচিত ভাইরাল না হতে পারলে জনগণের চোখে কাজ দৃশ্যমান হবেনা। তাই আমি সবার প্রতি আহ্বান করবো, কাজ কম করলেও একটু ফুটেজবাজিও করবেন, মিডিয়া ডাকবেন, ভিডিও করে প্রচার করবেন, নতুবা আমরা টকশোতে গিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি, জামাতের আমির থেকে নেতারা তো কোমড় সমান জলে নামলো, পাঞ্জাবি খুললো, আপনাগো কোন মন্ত্রীকে এমপিকে তো শার্ট খুলে জলে নেমে কাঁদা মাখতে দেখলাম না! অথচ সবার আগে চট্টগ্রামের বিএনপির এমপিরা বৃষ্টিতে ভিজে মানুষের কাছে ছুটে গেছে! সেগুলো মিডিয়াতে আসেনি....."

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


বন্যাকবলিত এলাকায় জামায়াত আমীর ভোটের প্রচারণা করতে গেছেন: রাশেদ খান

মিনহাজুল ইসলাম

প্রকাশিত: ১৩ জুলাই ২০২৬ ২০:০৭ পিএম

চট্টগ্রামে বন্যাকবলিত এলাকায় জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান ভোটের প্রচারণা করতে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাশেদ খান।

সোমবার (১৩ জুলাই) নিজ ফেসবুক আইডিতে করা এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। ঢাকায় জামায়াত আমীর তাঁর নিজ আসনের জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনে কার্যকর পদক্ষেপ নেননি বলেও মনে করেন তিনি। নিম্নে পাঠকদের উদ্দেশ্যে তার ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

"জামায়াতের আমির চট্টগ্রামে গিয়ে পানিতে নামলেন, পাঞ্জাবি খুলে ফেললেন। কিন্তু তার নিজ আসনে তিনি রিকসা থেকে নামলেন না, পাঞ্জাবিও খুললেন না, চকলেট খেতে কারও হাতে ১ হাজার টাকার নোট গুঁজেও দিলেন না! বরং একজন ভোটার তাকে রাস্তায় পানি জমার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে গালিগালাজ করলো, তিনি এরপরও হাসতে হাসতে হাত নাড়তে নাড়তে বিদায় নিলেন! তার সাথে কথা বলার প্রয়োজন মনে করলেন না! আমিরের এসব দেখে মনে হচ্ছে, তিনি ভোটের প্রচারণা করতে গেছেন! আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যেহেতু তার এলাকার উন্নয়নের সব দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছেন, এখানে তার পানিতে না নামলেও চলবে! জামায়াতের উত্তরের মেয়র প্রার্থী জনাব সেলিম উদ্দিনও ভ্যানগাড়িতে চড়ে হাত নাড়ানাড়ি করে বেড়াচ্ছেন। এসব করে তারা ফেসবুকে প্রচার করছেন যে, আমরা জনগণের কাছে গেছি। জনগণের কাছে গিয়ে হাসিমুখে হাত নাড়লেই কি পানি নেমে যাবে আর জনগণের কষ্ট লাঘব হয়ে যাবে? এতো কষ্ট বুঝলে এই পানি নিষ্কাশন ও ময়লা পরিষ্কারে নেমে যান। কিন্তু তা করবেন না। করবেন শুধু সমালোচনা আর ফুটেজবাজি!

এদিকে বিএনপির ঢাকা উত্তরের প্রশাসক জনাব শফিকুল ইসলাম মিল্টন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ছাত্রদল যুবদলের পুলাপান নিয়ে পানি নিষ্কাশনে নেমে গেছেন। হ্যা, এটা তার দায়িত্বও বটে। দক্ষিণের প্রশাসকও কাজ করছেন। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম নিজেও গাবতলিতে জলাবদ্ধ এলাকায় গেছেন। সামগ্রিক বিষয়গুলো তদারকি করছেন ও সারাদেশের প্রশাসকদের নিয়মিত নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়মিত আপডেট প্রদান করছেন। শুধুমাত্র চেহারা দেখালে আর জামাকাপড় খুলে ফেললেই মানুষের কষ্ট লাঘব হবেনা। পানি নিষ্কাশনে যা করণীয় সবকিছু সরকার প্রধানের নির্দেশনায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রশাসক, মেয়র, স্থানীয় এমপিরা করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশেও বিএনপি দলগতভাবে ও সরকারিভাবে দাঁড়াচ্ছে ও সবার জন্য পুর্নবাসনের ব্যবস্থাও করবে, ইনশাআল্লাহ।

দেখেন, বিএনপির এমপি-মন্ত্রীদের সমস্যা ফুটেজ খেতে জামাকাপড়, পাঞ্জাবি খুলতে পারেনা, তারা শুধু নীরবে নিভৃতে কাজ করতে জানে। কিন্তু তাদের বোঝা উচিত ভাইরাল না হতে পারলে জনগণের চোখে কাজ দৃশ্যমান হবেনা। তাই আমি সবার প্রতি আহ্বান করবো, কাজ কম করলেও একটু ফুটেজবাজিও করবেন, মিডিয়া ডাকবেন, ভিডিও করে প্রচার করবেন, নতুবা আমরা টকশোতে গিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি, জামাতের আমির থেকে নেতারা তো কোমড় সমান জলে নামলো, পাঞ্জাবি খুললো, আপনাগো কোন মন্ত্রীকে এমপিকে তো শার্ট খুলে জলে নেমে কাঁদা মাখতে দেখলাম না! অথচ সবার আগে চট্টগ্রামের বিএনপির এমপিরা বৃষ্টিতে ভিজে মানুষের কাছে ছুটে গেছে! সেগুলো মিডিয়াতে আসেনি....."

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর