infoamaderdin@gmail.com সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
৯ ভাদ্র ১৪৩৩

একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর; ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৪ আগষ্ট ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই এবার শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

সোমবার (২৪ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে উপসচিব (সরকারি কলেজ-১) এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষর করেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। আর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। অনলাইন আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে ২২০ টাকা ফি দিতে হবে।

কারা একাদশে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন

নীতিমালায় বলা হয়েছে, যে শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে এবং তার আগের দুই বছরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বিদেশি বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ পাবেন।

বিভাগ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগের পাশাপাশি পরস্পরের বিভাগেও আবেদন করতে পারবেন।

এ ছাড়া সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়েছে। মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে এ ২ শতাংশ কোটা প্রযোজ্য হবে।

তবে সংরক্ষিত কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে ওই আসন মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।

সমান জিপিএ হলে যেভাবে মেধাক্রম

একই জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর বিবেচনা করে মেধাক্রম তৈরি করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে পাওয়া নম্বর বিবেচনা করা হবে।

এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমান নম্বর হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।

একাদশে ভর্তি ফি কত

নীতিমালায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য সেশন চার্জ ও ভর্তি ফির সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।

নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা, জেলা পর্যায়ে বাংলা মাধ্যমে ৩ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।

প্রাথমিক নিশ্চায়নে দিতে হবে ৩৪০ টাকা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে শিক্ষার্থীদের মোট ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।

অনুমোদন ছাড়া ভর্তি নিলে ব্যবস্থা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র বা টিসি ইস্যু করতে কিংবা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না।

এ ছাড়া অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি কিংবা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কলেজগুলোকে প্রকাশিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর; ক্লাস ২৩ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ আগষ্ট ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই এবার শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না।

সোমবার (২৪ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। এতে উপসচিব (সরকারি কলেজ-১) এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষর করেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। আর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। অনলাইন আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীকে ২২০ টাকা ফি দিতে হবে।

কারা একাদশে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন

নীতিমালায় বলা হয়েছে, যে শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে এবং তার আগের দুই বছরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বিদেশি বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ পাবেন।

বিভাগ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ কিছু সুযোগ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা—যেকোনো বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগের পাশাপাশি পরস্পরের বিভাগেও আবেদন করতে পারবেন।

এ ছাড়া সব বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি কলেজের মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়েছে। মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের প্রতিষ্ঠানে এ ২ শতাংশ কোটা প্রযোজ্য হবে।

তবে সংরক্ষিত কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে ওই আসন মেধা তালিকা থেকে পূরণ করা হবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রযোজ্য হবে।

সমান জিপিএ হলে যেভাবে মেধাক্রম

একই জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে মোট নম্বর বিবেচনা করে মেধাক্রম তৈরি করা হবে। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মোট নম্বরও সমান হলে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে পাওয়া নম্বর বিবেচনা করা হবে।

এরপরও সমতা থাকলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের নম্বর দেখা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমান নম্বর হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ের নম্বর বিবেচনা করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

স্কুল অ্যান্ড কলেজ বা নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভর্তির যোগ্যতার শর্ত পূরণ করলে নিজ প্রতিষ্ঠানে অগ্রাধিকার পাবেন।

একাদশে ভর্তি ফি কত

নীতিমালায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য সেশন চার্জ ও ভর্তি ফির সর্বোচ্চ সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা নেওয়া যাবে। অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।

নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা, জেলা পর্যায়ে বাংলা মাধ্যমে ৩ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।

প্রাথমিক নিশ্চায়নে দিতে হবে ৩৪০ টাকা

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে শিক্ষার্থীদের মোট ৩৪০ টাকা ফি দিতে হবে। এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফি ১৪২ টাকা, ক্রীড়া ফি ৫০ টাকা, বিএনসিসি ফি ১০ টাকা, রোভার/রেঞ্জার ফি ১৫ টাকা, রেড ক্রিসেন্ট ফি ১৬ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফি ৭ টাকা এবং শিক্ষক কল্যাণ ও অবসর সুবিধা ফি ১০০ টাকা রয়েছে।

অনুমোদন ছাড়া ভর্তি নিলে ব্যবস্থা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র বা টিসি ইস্যু করতে কিংবা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না।

এ ছাড়া অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি কিংবা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে। ফলে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কলেজগুলোকে প্রকাশিত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর