infoamaderdin@gmail.com মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ২৪ বছর পর তিন আসামির যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭:০৭ পিএম

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানাধীন এলাকায় এক তরুণীকে গণধর্ষণের ২৪ বছর পর তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম জর্জ এ তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন— সুজন, জুলহাস ও মাহাম্মদ। এদের মধ্যে জুলহাস পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাজা দিয়ে অপর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০২ সালে ২২ মার্চ রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগীর ৮ বছর বয়সী ফুফাতো বোন টয়লেটে যেতে চায়। তাকে বাড়ির পেছনে টয়লেট নিয়ে যান ভুক্তভোগী তরুণী। বোনকে টয়লেটে বসিয়ে বাড়ির উত্তর পশ্চিম কোণে পৌঁছালে আসামি সুজন পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পেছনে উত্তর দিকে নিয়ে যায়। সেখানে আসামি জুলহাস ও মাহাম্মদ আগে থেকে অবস্থান করছিল।

আসামিরা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ১৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার এসআই এস এম মিরাজ আল মাহমুদ। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। মামলাটি বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ২৪ বছর পর তিন আসামির যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬ ১৭:০৭ পিএম

ঢাকার নবাবগঞ্জ থানাধীন এলাকায় এক তরুণীকে গণধর্ষণের ২৪ বছর পর তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেকের এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম জর্জ এ তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন— সুজন, জুলহাস ও মাহাম্মদ। এদের মধ্যে জুলহাস পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাজা দিয়ে অপর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০২ সালে ২২ মার্চ রাত ৮টার দিকে ভুক্তভোগীর ৮ বছর বয়সী ফুফাতো বোন টয়লেটে যেতে চায়। তাকে বাড়ির পেছনে টয়লেট নিয়ে যান ভুক্তভোগী তরুণী। বোনকে টয়লেটে বসিয়ে বাড়ির উত্তর পশ্চিম কোণে পৌঁছালে আসামি সুজন পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পেছনে উত্তর দিকে নিয়ে যায়। সেখানে আসামি জুলহাস ও মাহাম্মদ আগে থেকে অবস্থান করছিল।

আসামিরা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধানক্ষেতে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্য হুমকি দিয়ে চলে যায়। পরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ১৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার এসআই এস এম মিরাজ আল মাহমুদ। এরপর আসামিদের বিরুদ্ধর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। মামলাটি বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর