infoamaderdin@gmail.com শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
২৭ আষাঢ় ১৪৩৩

২০ বছর পর আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়ক দুর্গন্ধমুক্ত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ ১৪:০৭ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর ঢাকার আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ, দুর্গন্ধমুক্তকরণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ শনিবার (১১ জুলাই) আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়ক এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের পাশে দীর্ঘদিনের জমানো ময়লার ভাগাড় এবং তীব্র দুর্গন্ধ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসনকে দ্রুত সড়কের চারপাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তরের নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করে।

চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আব্দুর রাফিউল আলম, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো সড়কটিকে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই কার্যক্রমের আওতায় সড়কের দুই পাশের সব ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর করা হবে। রাস্তার দুই পাশ বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে প্যারাসাইক্লিং (ঢাল সংরক্ষণ) করা হবে, যাতে বৃষ্টির পানিতে মাটি ধসে না যায়। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রাস্তার দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণ করা হবে। নতুন করে কেউ যাতে সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সেজন্য রাস্তার দুই পাশে উঁচু বেড়া নির্মাণ করা হবে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নজরদারি ও মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই সড়ককে দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এখানে কেউ অবৈধভাবে ময়লা ফেলতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


২০ বছর পর আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়ক দুর্গন্ধমুক্ত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ ১৪:০৭ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর ঢাকার আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ, দুর্গন্ধমুক্তকরণ এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আজ শনিবার (১১ জুলাই) আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়ক এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে যাওয়ার পথে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের পাশে দীর্ঘদিনের জমানো ময়লার ভাগাড় এবং তীব্র দুর্গন্ধ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসনকে দ্রুত সড়কের চারপাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তরের নির্দেশনা দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করে।

চলমান কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আব্দুর রাফিউল আলম, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো সড়কটিকে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই কার্যক্রমের আওতায় সড়কের দুই পাশের সব ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর করা হবে। রাস্তার দুই পাশ বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে প্যারাসাইক্লিং (ঢাল সংরক্ষণ) করা হবে, যাতে বৃষ্টির পানিতে মাটি ধসে না যায়। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রাস্তার দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারিকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিবেশবান্ধব গাছ রোপণ করা হবে। নতুন করে কেউ যাতে সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সেজন্য রাস্তার দুই পাশে উঁচু বেড়া নির্মাণ করা হবে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নজরদারি ও মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই সড়ককে দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এখানে কেউ অবৈধভাবে ময়লা ফেলতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর