infoamaderdin@gmail.com শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

গঙ্গাচড়ায় সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

মেহেদি হাসান প্রকাশিত: ০৮ আগষ্ট ২০২৬ ১৬:০৮ পিএম

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদে নিজের ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির ছবি ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাহমুদুল ইসলাম (সবুজ)।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে মাহমুদুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার ও বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির ছবি ব্যবহার করে তাদের জড়িত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক ভোগদখল, জমি বন্ধক রাখা কিংবা কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাদের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মাহমুদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে একটি কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম মুন্সির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে এ ধরনের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে জমির দলিল, বন্ধকের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


গঙ্গাচড়ায় সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

মেহেদি হাসান

প্রকাশিত: ০৮ আগষ্ট ২০২৬ ১৬:০৮ পিএম

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বেতগাড়ী একরামিয়া বহুমুখী ফাজিল মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদে নিজের ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির ছবি ব্যবহারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাহমুদুল ইসলাম (সবুজ)।

শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

লিখিত বক্তব্যে মাহমুদুল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার জমি বন্ধক রেখে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অথচ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার ও বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম মুন্সির ছবি ব্যবহার করে তাদের জড়িত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক ভোগদখল, জমি বন্ধক রাখা কিংবা কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই তাদের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশ করা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মাহমুদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে একটি কুচক্রী মহল তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম মুন্সির সঙ্গে তার সুসম্পর্ক এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে এ ধরনের অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হলে জমির দলিল, বন্ধকের প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বেতগাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর