প্রধান শিক্ষক সংকটে ব্যাহত প্রাথমিকের পাঠদান, শূন্য ২৭ হাজার ৭৩৪ পদ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। সারাদেশে প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার ৫৫৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৩৭ হাজার ৮১৯ জন। ফলে ২৭ হাজার ৭৩৪টি পদই শূন্য রয়েছে। একই সঙ্গে সহকারী শিক্ষকের ৩৫ হাজার ৬টি পদও শূন্য। এতে অনেক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদেরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যেতে গিয়ে তাঁদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্রই এর একটি উদাহরণ। গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হওয়ার পর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসলিমা আক্তারকে একসঙ্গে প্রশাসনিক, দাপ্তরিক ও একাডেমিক দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে ২১৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে অফিস সহকারীর পদও শূন্য থাকায় শিক্ষা অফিসে যাওয়া থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজও তাঁকেই করতে হচ্ছে। ফলে অনেক সময় নিয়মিত ক্লাস নেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।
বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাসলিমা আক্তার বলেন, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টায় বিদ্যালয় শুরু হয় এবং সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এক শিফটে ক্লাস চলে। শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য পাঠানো, পাঠদান, প্রশাসনিক কাজসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে হয়। দীর্ঘ সময় ক্লাস নেওয়ার পাশাপাশি এত কাজ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রধান শিক্ষক নেই, শিক্ষার্থী সংকটও বাড়ছে
বরাবো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যা শুধু শিক্ষকস্বল্পতায় সীমাবদ্ধ নয়। বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ নিম্নআয়ের পরিবারের সন্তান। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসতে পারছে না। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়ে প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ।
সকালে না খেয়ে বিদ্যালয়ে এসে দীর্ঘ সময় ক্লাস করা অনেক শিশুর জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক অভিভাবকের পক্ষে প্রতিদিন টিফিনের টাকা দেওয়াও সম্ভব নয়। আবার ঢাকার ব্যয়বহুল জীবনযাপনের সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে কিছু পরিবার গ্রামে চলে যাচ্ছে। ফলে প্রতিবছরই শিক্ষার্থী সংখ্যা কমছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতা। এলাকায় মাদ্রাসা ও কিন্ডারগার্টেনের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষক না থাকায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক শূন্য ২৭ হাজার ৭৩৪ পদ
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৬৫ হাজার ৫৫৩টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ৩৭ হাজার ৮১৯ জন। অর্থাৎ ২৭ হাজার ৭৩৪টি পদ শূন্য রয়েছে।
এদিকে সারাদেশে সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮৪টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ৩ লাখ ৩২ হাজার ৫৭৮ জন। ফলে সহকারী শিক্ষকের ৩৫ হাজার ৬টি পদও শূন্য রয়েছে।
প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। তাঁকে একই সঙ্গে শিক্ষক উপস্থিতি, ছুটি, বিভিন্ন প্রতিবেদন, শিক্ষা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ, আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজসহ নানা দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ফলে তাঁর নির্ধারিত ক্লাসের দায়িত্বও অন্য সহকারী শিক্ষকদের ওপর পড়ছে।
নতুন নিয়োগেও পুরো সংকট কাটছে না
সহকারী শিক্ষক সংকট কমাতে নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। পরে ৪ অক্টোবর তাঁদের পদায়ন করা হবে। এরপর নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই মাসের বিশেষ পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
তবে নতুন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক যোগ দিলেও সহকারী শিক্ষকের বর্তমান ৩৫ হাজার ৬টি শূন্য পদ পুরোপুরি পূরণ হবে না। ফলে শিক্ষকস্বল্পতার চাপ থেকেই যাবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধান শিক্ষক সংকটের সমাধান না হলে নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সুফলও পুরোপুরি পাওয়া কঠিন। কারণ অনেক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদেরই প্রশাসনিক দায়িত্ব নিতে হচ্ছে। এতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকসংখ্যা কার্যত আরও কমে যাচ্ছে।
প্রত্যন্ত অঞ্চলে সংকট আরও তীব্র
মহানগর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল—সারাদেশেই প্রধান শিক্ষক সংকট রয়েছে। তবে নদীবেষ্টিত ও দুর্গম এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে এর প্রভাব আরও বেশি।
কুড়িগ্রাম তার অন্যতম উদাহরণ। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার ও ফুলকুমারসহ বিভিন্ন নদ-নদীবেষ্টিত এই জেলার বহু বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট রয়েছে। জেলার অতি দুর্গম এলাকায় রয়েছে ২৪৩টি বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি তদারককারী কর্মকর্তারও সংকট রয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ১ হাজার ২৩৮টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ৭৭২ জন। ফলে ৪৬৬টি পদ শূন্য। সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৬ হাজার ৮৫৭টি। এর মধ্যে ৬ হাজার ৬৬৮ জন কর্মরত এবং ১৮৯টি পদ শূন্য রয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, নদীবেষ্টিত হওয়ার কারণে কুড়িগ্রামে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। অতি দুর্গম এলাকায় থাকা বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারও সংকট রয়েছে। জনবল কম থাকায় এসব বিদ্যালয় যথাযথভাবে পরিদর্শন ও তদারকি করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এর ফলে পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে।
আইনি জটিলতায় আটকে ছিল প্রধান শিক্ষক নিয়োগ
প্রধান শিক্ষক সংকটের অন্যতম বড় কারণ দীর্ঘদিনের নিয়োগ ও পদোন্নতিসংক্রান্ত আইনি জটিলতা। প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া এই জটিলতায় আটকে ছিল।
২০১৭ সালে জাতীয়করণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক চাকরির শর্তাদি বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতিসংক্রান্ত বিধির অংশবিশেষ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১৯ সালের ১১ মার্চ হাইকোর্ট ওই বিধির অংশবিশেষকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে রায় দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়।
চলতি বছরের ২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করেন। এর ফলে জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতিসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটে এবং প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ খুলে যায়।
প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব কতটা বিস্তৃত
একজন প্রধান শিক্ষককে শুধু প্রশাসনিক দায়িত্বই পালন করতে হয় না; বিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষক তদারকি, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কাজও তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
বিদ্যালয়ের রেকর্ড ও রেজিস্টার সংরক্ষণ, বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা ও রুটিন প্রণয়ন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, বিভিন্ন প্রতিবেদন তৈরি, শিক্ষক-অভিভাবক সমিতি ও স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষক-কর্মচারীদের বিভিন্ন আবেদন সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোসহ নানা কাজ করতে হয় প্রধান শিক্ষককে।
একই সঙ্গে শিক্ষকদের পাঠদান তদারক, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, শিক্ষা উপকরণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াও তাঁর দায়িত্ব। আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাশবুক ও স্টক রেজিস্টার সংরক্ষণ, বেতন বিল তৈরি এবং সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্বও রয়েছে।
বর্তমানে এসব দায়িত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রযুক্তিনির্ভর নানা কাজ। অনলাইন পোর্টাল, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও গুগল ফর্মের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো, অনলাইন সভায় অংশ নেওয়া, উপবৃত্তি ও ইউনিক আইডিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তদারক করতে হয়। এর পাশাপাশি অনুমোদিত রুটিন অনুযায়ী প্রধান শিক্ষককেও নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে হয়।
ফলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলে এসব দায়িত্বের বড় অংশ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ওপর পড়ে। তিনি নিজে সহকারী শিক্ষক হওয়ায় প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যেতে হয়। এতে শিক্ষক সংকটের চাপ শেষ পর্যন্ত সরাসরি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে পড়ে।
এক বছরের মধ্যে সংকট সমাধানের আশা
সরকার শিক্ষক সংকট দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। ঢাকার মিরপুর-১-এ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘কমিউনিটি এনগেজমেন্ট ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত সাড়ে ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থী অক্টোবরের শুরুতে যোগদান ও প্রশিক্ষণে যাবেন।
প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে। শিক্ষক বদলির সমস্যা সমাধানে নতুন নীতিমালার ওপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক না থাকার যে দুটি বড় কারণ রয়েছে, সেগুলো সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে সমাধান করা হবে। এতে শিক্ষক সংকটের সমস্যা আর থাকবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দ্রুত সংকট সমাধানের তাগিদ
শিক্ষক সংকট দ্রুত দূর করার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কথা দীর্ঘদিন ধরে শোনা যাচ্ছে এবং পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
তাঁর মতে, সহকারী শিক্ষকের ঘাটতির পাশাপাশি অনেক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকও নেই। অথচ বিপুল জনসংখ্যার দেশের জন্য মানসম্মত বিদ্যালয়ের প্রয়োজন রয়েছে এবং মানসম্মত বিদ্যালয়ের জন্য প্রয়োজন দক্ষ ও পর্যাপ্ত শিক্ষক।
তিনি দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত ঘাটতি পূরণ এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে আরও মানসম্মত ও আকর্ষণীয় করার ওপর জোর দেন। তাঁর মতে, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি মানুষের আস্থা ও আগ্রহ পুনরুদ্ধার করা জরুরি।
প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক—দুই পর্যায়েই বড় সংখ্যক পদ শূন্য থাকায় দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট এখন শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়; এর প্রভাব পড়ছে সরাসরি শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশে। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ না হলে নতুন শিক্ষক নিয়োগের পরও সংকটের পুরোপুরি সমাধান হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: