infoamaderdin@gmail.com মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভারত থেকে আমদানির ঘোষণা

কাঁচা মরিচের দাম এক লাফে কমলো অর্ধেকেরও বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৪ আগষ্ট ২০২৬ ২০:০৮ পিএম

ভারত থেকে আমদানির পর দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দাম। গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট) ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে একশ' মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজার ভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। দেশের বাজারে বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কমায় খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম উঠেছিল ৪০০ টাকাতে। অবশেষে দাম স্থিতিশীল রাখতে আমদানি অনুমতি দেয় সরকার।

ইতোমধ্যে রাজধানীর বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

পাইকাররা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর থেকে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আসায় স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

বিক্রেতাদের দাবি, আমদানি অব্যাহত থাকলে দামের উত্তাপ খানিকটা কমে আসবে। খামার বাড়ী থেকে আমদানির অনুমতিপত্র-আইপি সংগ্রহ ব্যবসায়ীরা সংগ্রহ করছেন। ঋণপত্র চালু করেছেন অনেক ব্যবসায়ী। ভারতের রফতানিকারকদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করছেন স্থানীয় আমদানিকারকরা।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


ভারত থেকে আমদানির ঘোষণা

কাঁচা মরিচের দাম এক লাফে কমলো অর্ধেকেরও বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ আগষ্ট ২০২৬ ২০:০৮ পিএম

ভারত থেকে আমদানির পর দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দাম। গতকাল সোমবার (৩ আগস্ট) ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে একশ' মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজার ভেদে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। দেশের বাজারে বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন কমায় খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম উঠেছিল ৪০০ টাকাতে। অবশেষে দাম স্থিতিশীল রাখতে আমদানি অনুমতি দেয় সরকার।

ইতোমধ্যে রাজধানীর বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

পাইকাররা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর থেকে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আসায় স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।

বিক্রেতাদের দাবি, আমদানি অব্যাহত থাকলে দামের উত্তাপ খানিকটা কমে আসবে। খামার বাড়ী থেকে আমদানির অনুমতিপত্র-আইপি সংগ্রহ ব্যবসায়ীরা সংগ্রহ করছেন। ঋণপত্র চালু করেছেন অনেক ব্যবসায়ী। ভারতের রফতানিকারকদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করছেন স্থানীয় আমদানিকারকরা।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর