infoamaderdin@gmail.com মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
২০ শ্রাবণ ১৪৩৩

জবির আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তন

১,৭০০ সিটের অস্থায়ী পরিকল্পনা বাদ, হবে ৬০০ আসনের ১০ তলা ভবন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৪ আগষ্ট ২০২৬ ১৯:০৮ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে কেরানীগঞ্জে প্রায় ১,৭০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে একই ২০ কোটি টাকার বরাদ্দে ১০ তলা স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নতুন পরিকল্পনায় মাত্র ৬০০ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পাবেন বলে জানা গেছে। এতে প্রকল্পের ধরন পরিবর্তন এবং আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসনে অতিরিক্ত ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রায় সাত একর জমিতে দ্রুত অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। সে সময় প্রশাসন স্বল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছিল।

এই প্রকল্পের পেছনে ছিল শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। ২০২৫ সালের ১৪ মে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকট নিরসন, ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি, পূর্ণাঙ্গ বাজেট অনুমোদন এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিতে প্রায় ১,৭০০ শিক্ষার্থীর জন্য টিনশেড অস্থায়ী আবাসনের একটি প্রাথমিক নকশাও প্রস্তুত করা হয়।

তবে প্রায় এক বছর পার হলেও অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। এর পরিবর্তে গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে প্রকাশিত ই-টেন্ডারের মাধ্যমে ১০ তলাবিশিষ্ট স্থায়ী ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, সাত একর জমির মধ্যে মাত্র ৫৪ শতক জমির ওপর ভবনটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে জমির বড় একটি অংশ আপাতত অব্যবহৃত থাকবে।

প্রকল্প পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিন মাসের মধ্যে আবাসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেটি এখন দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনেকেই এই সুবিধা পাওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যাবেন।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইভান তাহসীব বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সংকটই আবাসন। তাই দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করাই ছিল সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ দীর্ঘমেয়াদে আবাসন সংকটের টেকসই সমাধান দেবে এবং সরকারি অর্থেরও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

জকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম দাবি করেন, ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল। কিন্তু প্রশাসন একতরফাভাবে স্থায়ী ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে। তিনি এ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থী-বিরোধী ও অপরিণামদর্শী বলে মন্তব্য করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, অস্থায়ী না স্থায়ী প্রকল্প হবে, সে সিদ্ধান্ত প্রকৌশল দপ্তরের নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্কস কমিটি ও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০ তলা স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। ভবিষ্যতে ভবনটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনসহ অন্যান্য প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে।

তবে পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সৈয়দ আহমেদ এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেন। তিনি জানান, অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পকে স্থায়ী ভবনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত কিংবা টেন্ডার আহ্বানের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই। এমনকি ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ সম্পর্কেও তারা অবগত নন। তিনি বলেন, অস্থায়ী টিনশেড আবাসনের জন্য একটি নকশাও প্রস্তুত করা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিক সভা ও সংশ্লিষ্ট কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। সাময়িক অবকাঠামো নির্মাণ করে ভবিষ্যতে তা অপসারণের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ভবনটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন, ভাড়াভিত্তিক ব্যবহার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রয়োজনেও কাজে লাগানো যাবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


জবির আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তন

১,৭০০ সিটের অস্থায়ী পরিকল্পনা বাদ, হবে ৬০০ আসনের ১০ তলা ভবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ আগষ্ট ২০২৬ ১৯:০৮ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট নিরসনে কেরানীগঞ্জে প্রায় ১,৭০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা থেকে সরে এসে একই ২০ কোটি টাকার বরাদ্দে ১০ তলা স্থায়ী ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নতুন পরিকল্পনায় মাত্র ৬০০ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পাবেন বলে জানা গেছে। এতে প্রকল্পের ধরন পরিবর্তন এবং আসনসংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসনে অতিরিক্ত ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব প্রায় সাত একর জমিতে দ্রুত অস্থায়ী আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। সে সময় প্রশাসন স্বল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছিল।

এই প্রকল্পের পেছনে ছিল শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। ২০২৫ সালের ১৪ মে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকট নিরসন, ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন বৃত্তি, পূর্ণাঙ্গ বাজেট অনুমোদন এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। এরপর কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিতে প্রায় ১,৭০০ শিক্ষার্থীর জন্য টিনশেড অস্থায়ী আবাসনের একটি প্রাথমিক নকশাও প্রস্তুত করা হয়।

তবে প্রায় এক বছর পার হলেও অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। এর পরিবর্তে গত ২৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে প্রকাশিত ই-টেন্ডারের মাধ্যমে ১০ তলাবিশিষ্ট স্থায়ী ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, সাত একর জমির মধ্যে মাত্র ৫৪ শতক জমির ওপর ভবনটি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে জমির বড় একটি অংশ আপাতত অব্যবহৃত থাকবে।

প্রকল্প পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিন মাসের মধ্যে আবাসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেটি এখন দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে পরিণত হয়েছে। বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনেকেই এই সুবিধা পাওয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যাবেন।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইভান তাহসীব বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় সংকটই আবাসন। তাই দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করাই ছিল সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ দীর্ঘমেয়াদে আবাসন সংকটের টেকসই সমাধান দেবে এবং সরকারি অর্থেরও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করবে।

জকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম দাবি করেন, ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ দিয়ে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল। কিন্তু প্রশাসন একতরফাভাবে স্থায়ী ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে। তিনি এ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থী-বিরোধী ও অপরিণামদর্শী বলে মন্তব্য করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী মো. হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, অস্থায়ী না স্থায়ী প্রকল্প হবে, সে সিদ্ধান্ত প্রকৌশল দপ্তরের নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্কস কমিটি ও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত। তিনি জানান, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০ তলা স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখানে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। ভবিষ্যতে ভবনটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনসহ অন্যান্য প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে।

তবে পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সৈয়দ আহমেদ এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেন। তিনি জানান, অস্থায়ী আবাসন প্রকল্পকে স্থায়ী ভবনে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত কিংবা টেন্ডার আহ্বানের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই। এমনকি ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ সম্পর্কেও তারা অবগত নন। তিনি বলেন, অস্থায়ী টিনশেড আবাসনের জন্য একটি নকশাও প্রস্তুত করা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে একাধিক সভা ও সংশ্লিষ্ট কমিটিতে আলোচনা হয়েছে। সাময়িক অবকাঠামো নির্মাণ করে ভবিষ্যতে তা অপসারণের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ভবনটি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন, ভাড়াভিত্তিক ব্যবহার কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রয়োজনেও কাজে লাগানো যাবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর