infoamaderdin@gmail.com শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
১০ শ্রাবণ ১৪৩৩

নতুন রাষ্ট্রপতির দৌড়ে আলোচনায় বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতা, সিদ্ধান্তে গুরুত্ব পাচ্ছে অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক ভারসাম্য

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৭ পিএম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচনার বিষয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন বিএনপির অভ্যন্তরে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির হাইকমান্ড বর্তমানে চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তাঁরা হলেন—দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খান।

দলীয় নেতাদের ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু জ্যেষ্ঠতা নয়; রাজনৈতিক ভারসাম্য, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সংসদীয় সমীকরণ, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের ভবিষ্যৎ কৌশল—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকায় আলোচনায় মির্জা ফখরুল

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের প্রধান মুখ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচন, সংলাপ কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক—সব ক্ষেত্রেই তিনি দলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা মির্জা ফখরুল একসময় সরকারি কলেজে অর্থনীতির শিক্ষক ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর সরকারি চাকরি করেন এবং পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে উপপ্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলনে নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী। তবে রাষ্ট্রপতি হলে তাঁকে সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে হবে, যা তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে দলীয় পর্যায়ে ভিন্নমতেরও জন্ম দিয়েছে।

প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় এগিয়ে ড. খন্দকার মোশাররফ

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে বিএনপির অন্যতম অভিজ্ঞ ও প্রশাসনিকভাবে দক্ষ নেতা হিসেবে দেখা হয়। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে ডিআইসি ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য থাকা খন্দকার মোশাররফ কুমিল্লা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত মুখ ড. মঈন খান

ড. আবদুল মঈন খান বিএনপির উদারপন্থী ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত নেতা হিসেবে বিবেচিত। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করা এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক মঈন খান ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

শ্রমিক রাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বে নজরুল ইসলাম খান

ছাত্র, শ্রমিক ও জাতীয় রাজনীতিতে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে নজরুল ইসলাম খানের। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে জয়দেবপুর সর্বদলীয় মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নজরুল ইসলাম খান পরবর্তীতে শ্রমিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন তিনি। এছাড়া ২০১৮ ও ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।

সিদ্ধান্তে কী বিবেচনা করবে বিএনপি?

দলীয় নেতাদের মতে, বর্তমানে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আবদুল মঈন খান কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জ্যেষ্ঠতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে সাবেক একজন সচিবের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দল শেষ পর্যন্ত একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক নেতাকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিতে পারে।

সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আর ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে কে আসছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনের আগ্রহ আরও বাড়বে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


নতুন রাষ্ট্রপতির দৌড়ে আলোচনায় বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতা, সিদ্ধান্তে গুরুত্ব পাচ্ছে অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক ভারসাম্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৭ পিএম

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্ন এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচনার বিষয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন বিএনপির অভ্যন্তরে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির হাইকমান্ড বর্তমানে চার জ্যেষ্ঠ নেতাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তাঁরা হলেন—দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খান।

দলীয় নেতাদের ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু জ্যেষ্ঠতা নয়; রাজনৈতিক ভারসাম্য, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সংসদীয় সমীকরণ, আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং দলের ভবিষ্যৎ কৌশল—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকায় আলোচনায় মির্জা ফখরুল

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের প্রধান মুখ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচন, সংলাপ কিংবা আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক—সব ক্ষেত্রেই তিনি দলের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা মির্জা ফখরুল একসময় সরকারি কলেজে অর্থনীতির শিক্ষক ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর সরকারি চাকরি করেন এবং পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে উপপ্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০১ সালে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ মনে করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলনে নেতৃত্ব এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম শক্তিশালী প্রার্থী। তবে রাষ্ট্রপতি হলে তাঁকে সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে হবে, যা তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে দলীয় পর্যায়ে ভিন্নমতেরও জন্ম দিয়েছে।

প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় এগিয়ে ড. খন্দকার মোশাররফ

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে বিএনপির অন্যতম অভিজ্ঞ ও প্রশাসনিকভাবে দক্ষ নেতা হিসেবে দেখা হয়। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে ডিআইসি ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য থাকা খন্দকার মোশাররফ কুমিল্লা-২ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত মুখ ড. মঈন খান

ড. আবদুল মঈন খান বিএনপির উদারপন্থী ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত নেতা হিসেবে বিবেচিত। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ করা এই রাজনীতিক দীর্ঘদিন বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক মহলের সঙ্গে বিএনপির যোগাযোগ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক মঈন খান ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

শ্রমিক রাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বে নজরুল ইসলাম খান

ছাত্র, শ্রমিক ও জাতীয় রাজনীতিতে পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে নজরুল ইসলাম খানের। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে জয়দেবপুর সর্বদলীয় মুক্তিসংগ্রাম পরিষদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নজরুল ইসলাম খান পরবর্তীতে শ্রমিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন তিনি। এছাড়া ২০১৮ ও ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।

সিদ্ধান্তে কী বিবেচনা করবে বিএনপি?

দলীয় নেতাদের মতে, বর্তমানে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আবদুল মঈন খান কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও জ্যেষ্ঠতার কারণে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিএনপির এক কেন্দ্রীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে সাবেক একজন সচিবের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দল শেষ পর্যন্ত একজন অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক নেতাকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিতে পারে।

সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আর ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে কে আসছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনের আগ্রহ আরও বাড়বে।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর