infoamaderdin@gmail.com শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩

‎ভবন পড়ে আছে, জ্ঞানচর্চা নেই—চারপাশে ময়লার স্তূপে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি

মেহেদি হাসান প্রকাশিত: ১৪ আগষ্ট ২০২৬ ১৩:০৮ পিএম

‎একটি লাইব্রেরি মানেই বই, পাঠক আর জ্ঞানচর্চার পরিবেশ। কিন্তু রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরির চিত্র যেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ভবন আছে, চেয়ার-টেবিল আছে; কিন্তু নেই কোনো বই, নেই পাঠকের আনাগোনা।

এমনকি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ভবনটি চালুরও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। চারপাশে জমে আছে ময়লার স্তূপ।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরির ভবনটি দাঁড়িয়ে থাকলেও এর ভেতরে নেই পাঠকদের জন্য প্রয়োজনীয় বই কিংবা নিয়মিত পাঠ কার্যক্রম। ভবনের আশপাশেও রয়েছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় লাইব্রেরির পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর ও অনুপযোগী।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি পাবলিক লাইব্রেরি শুধু একটি ভবন নয়; এটি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী ও জ্ঞানপিপাসু মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু গঙ্গাচড়ার এই লাইব্রেরি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত অচল থাকায় স্থানীয় মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


‎বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের বই, দৈনিক পত্রিকা, চাকরির প্রস্তুতিমূলক বই ও তথ্যসমৃদ্ধ সামগ্রী থাকলে উপজেলার তরুণদের জ্ঞানচর্চা ও প্রস্তুতির সুযোগ বাড়ত। কিন্তু বর্তমানে বই না থাকায় সেই সুযোগও নেই।

‎স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি অর্থ ও সম্পদ ব্যয়ে নির্মিত একটি লাইব্রেরি যদি ব্যবহারই না হয়, তাহলে তা জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। দ্রুত লাইব্রেরিটি সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহের পাশাপাশি নিয়মিত পাঠ কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।

‎তাদের দাবি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করলে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়বে এবং জ্ঞানচর্চার একটি কার্যকর পরিবেশ তৈরি হবে।

‎ভবনটি দাঁড়িয়ে আছে, চেয়ার-টেবিলও আছে—শুধু নেই বই, পাঠক আর প্রাণচাঞ্চল্য। ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা এই লাইব্রেরি যেন এখন জনসাধারণের একটি অপূর্ণ প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


‎ভবন পড়ে আছে, জ্ঞানচর্চা নেই—চারপাশে ময়লার স্তূপে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরি

মেহেদি হাসান

প্রকাশিত: ১৪ আগষ্ট ২০২৬ ১৩:০৮ পিএম

‎একটি লাইব্রেরি মানেই বই, পাঠক আর জ্ঞানচর্চার পরিবেশ। কিন্তু রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরির চিত্র যেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ভবন আছে, চেয়ার-টেবিল আছে; কিন্তু নেই কোনো বই, নেই পাঠকের আনাগোনা।

এমনকি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ভবনটি চালুরও দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। চারপাশে জমে আছে ময়লার স্তূপ।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, লাইব্রেরির ভবনটি দাঁড়িয়ে থাকলেও এর ভেতরে নেই পাঠকদের জন্য প্রয়োজনীয় বই কিংবা নিয়মিত পাঠ কার্যক্রম। ভবনের আশপাশেও রয়েছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় লাইব্রেরির পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর ও অনুপযোগী।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি পাবলিক লাইব্রেরি শুধু একটি ভবন নয়; এটি শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রত্যাশী ও জ্ঞানপিপাসু মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু গঙ্গাচড়ার এই লাইব্রেরি দীর্ঘদিন ধরে কার্যত অচল থাকায় স্থানীয় মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


‎বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের বই, দৈনিক পত্রিকা, চাকরির প্রস্তুতিমূলক বই ও তথ্যসমৃদ্ধ সামগ্রী থাকলে উপজেলার তরুণদের জ্ঞানচর্চা ও প্রস্তুতির সুযোগ বাড়ত। কিন্তু বর্তমানে বই না থাকায় সেই সুযোগও নেই।

‎স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সরকারি অর্থ ও সম্পদ ব্যয়ে নির্মিত একটি লাইব্রেরি যদি ব্যবহারই না হয়, তাহলে তা জনসাধারণের কোনো কাজে আসছে না। দ্রুত লাইব্রেরিটি সংস্কার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে প্রয়োজনীয় বই সংগ্রহের পাশাপাশি নিয়মিত পাঠ কার্যক্রম চালু করা প্রয়োজন।

‎তাদের দাবি, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে গঙ্গাচড়া পাবলিক লাইব্রেরিটি চালু করলে শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বাড়বে এবং জ্ঞানচর্চার একটি কার্যকর পরিবেশ তৈরি হবে।

‎ভবনটি দাঁড়িয়ে আছে, চেয়ার-টেবিলও আছে—শুধু নেই বই, পাঠক আর প্রাণচাঞ্চল্য। ময়লার স্তূপে পড়ে থাকা এই লাইব্রেরি যেন এখন জনসাধারণের একটি অপূর্ণ প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর