infoamaderdin@gmail.com বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
১১ ভাদ্র ১৪৩৩

চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৬ আগষ্ট ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম

চাঁদপুর শহরের এসকে শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চার সদস্যের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন তার স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস। স্বজনদের দাবি, কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা বাসা থেকে চলে গেছেন।

বুধবার ২৬ আগস্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিন্টু দাসের নিকটাত্মীয় ও চাঁদপুর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে।

স্বজনদের ভাষ্য, পিন্টু দাস ঋণগ্রস্ত ছিলেন। সম্প্রতি পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন বলেও তারা জানতে পারেন। এ কারণে পরিবার নিয়ে তিনি চাঁদপুর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে পারেন বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।

তবে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধক রেখে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সমিতির কাছ থেকেও তিনি ঋণ নিয়েছিলেন বলে দাবি তাদের। তার কাছে বন্ধক রাখা স্বর্ণ ফেরত না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন।

রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান জানান, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার পিন্টু দাসের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন। পরে টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণালংকার নিতে গেলে তাকে পরে আসতে বলা হয়। এর মধ্যে পিন্টু দাস পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চলে যাওয়ার খবর পান তিনি। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও জানান রাসেল।

দক্ষিণ গুণরাজদীর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ও শুভঙ্কর মজুমদারও পিন্টু দাসের কাছে স্বর্ণ বন্ধক রাখার দাবি করেছেন।

এদিকে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে। তবে তারা কোথায় গেছেন বা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বলতে পারছেন না। আর্থিক দেনদেনের জটিলতা থেকে পিন্টু দাস নিজেই আত্মগোপনে থাকলে তাকে খুঁজে পাওয়া কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ বলেন, পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তিনি এইমাত্র জেনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ এবং তাদের অবস্থান তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ পরিবারের ৪ সদস্য নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ আগষ্ট ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম

চাঁদপুর শহরের এসকে শিল্পালয়ের স্বত্বাধিকারী স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের চার সদস্যের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবারের অন্য সদস্যরা হলেন তার স্ত্রী রিমি দাস, বড় ছেলে প্রিয়ম দাস ও ছোট ছেলে রুপম দাস। স্বজনদের দাবি, কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা বাসা থেকে চলে গেছেন।

বুধবার ২৬ আগস্ট বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিন্টু দাসের নিকটাত্মীয় ও চাঁদপুর হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক উপমা দে।

স্বজনদের ভাষ্য, পিন্টু দাস ঋণগ্রস্ত ছিলেন। সম্প্রতি পাটোয়ারী বাড়ির এক ব্যক্তি তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন বলেও তারা জানতে পারেন। এ কারণে পরিবার নিয়ে তিনি চাঁদপুর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে পারেন বলে ধারণা করছেন স্বজনরা।

তবে স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধক রেখে ব্যবসা পরিচালনা করতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সমিতির কাছ থেকেও তিনি ঋণ নিয়েছিলেন বলে দাবি তাদের। তার কাছে বন্ধক রাখা স্বর্ণ ফেরত না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন কয়েকজন।

রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান জানান, তিনি আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার পিন্টু দাসের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলেন। পরে টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণালংকার নিতে গেলে তাকে পরে আসতে বলা হয়। এর মধ্যে পিন্টু দাস পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চলে যাওয়ার খবর পান তিনি। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও জানান রাসেল।

দক্ষিণ গুণরাজদীর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ও শুভঙ্কর মজুমদারও পিন্টু দাসের কাছে স্বর্ণ বন্ধক রাখার দাবি করেছেন।

এদিকে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে। তবে তারা কোথায় গেছেন বা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বলতে পারছেন না। আর্থিক দেনদেনের জটিলতা থেকে পিন্টু দাস নিজেই আত্মগোপনে থাকলে তাকে খুঁজে পাওয়া কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ বলেন, পিন্টু দাসসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তিনি এইমাত্র জেনেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার প্রকৃত কারণ এবং তাদের অবস্থান তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর