infoamaderdin@gmail.com বৃহঃস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
১২ ভাদ্র ১৪৩৩

বিনগ্রামে এক মাসে ১০ মোবাইল ও স্বর্ণালংকার চুরি, নেপথ্যে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ২৭ আগষ্ট ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম

নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিনগ্রাম এলাকা জুড়ে দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা। গত এক মাসের ব্যবধানে গ্রামটিতে বসতবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার এবং অন্তত ১০টি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় মাদকের অবাধ বিস্তার ও মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম্যই এসব অপরাধ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চোরচক্র রাতে সুযোগ বুঝে অথবা বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে ঘরে ঢোকে। তারা স্বর্ণালংকার ও দামি স্মার্টফোন হাতানোর পর সটকে পড়ছে। গ্রামবাসীর ধারণা, মাদকাসক্ত যুবকরা মাদকের টাকা জোগাড় করতেই নিয়মিত এসব চুরি করছে।

চুরির মাত্রা এতটাই বেড়েছে যে, রাতের বেলা নিজ ঘরে ঘুমাতেও ভয় পাচ্ছেন তারা।

ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এলাকায় মাদকের বিকিকিনি ও সেবন উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। তরুণরা নেশার টাকা জোগাড় করতে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এখনই যদি মাদকের আস্তানা ও সরবরাহ বন্ধ করা না যায়, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।

নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গ্রামবাসী বর্তমানে রাতের বেলা নিজস্ব উদ্যোগে পাহারা দেওয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে বিনগ্রাম এলাকায় পুলিশের নৈশ টহল জোরদার করা এবং মাদকের বিরুদ্ধে দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান চালানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


বিনগ্রামে এক মাসে ১০ মোবাইল ও স্বর্ণালংকার চুরি, নেপথ্যে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ আগষ্ট ২০২৬ ১৫:০৮ পিএম

নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিনগ্রাম এলাকা জুড়ে দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা। গত এক মাসের ব্যবধানে গ্রামটিতে বসতবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার এবং অন্তত ১০টি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় মাদকের অবাধ বিস্তার ও মাদকাসক্তদের দৌরাত্ম্যই এসব অপরাধ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চোরচক্র রাতে সুযোগ বুঝে অথবা বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে ঘরে ঢোকে। তারা স্বর্ণালংকার ও দামি স্মার্টফোন হাতানোর পর সটকে পড়ছে। গ্রামবাসীর ধারণা, মাদকাসক্ত যুবকরা মাদকের টাকা জোগাড় করতেই নিয়মিত এসব চুরি করছে।

চুরির মাত্রা এতটাই বেড়েছে যে, রাতের বেলা নিজ ঘরে ঘুমাতেও ভয় পাচ্ছেন তারা।

ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এলাকায় মাদকের বিকিকিনি ও সেবন উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। তরুণরা নেশার টাকা জোগাড় করতে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এখনই যদি মাদকের আস্তানা ও সরবরাহ বন্ধ করা না যায়, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।

নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গ্রামবাসী বর্তমানে রাতের বেলা নিজস্ব উদ্যোগে পাহারা দেওয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে বিনগ্রাম এলাকায় পুলিশের নৈশ টহল জোরদার করা এবং মাদকের বিরুদ্ধে দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান চালানোর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর