ঘুষের অভিযোগ নিয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ বুধবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ। তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে তা জনগণের সামনে প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ১৮৮ জন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তার কাছ থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা করে মোট ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার দুর্নীতি করেছেন একজন উপদেষ্টা, একজন সচিব, একজন যুগ্ম সচিব ও একজন উপসচিবসহ আরও অনেকে মিলে। দুদক বলছে, প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করুন প্লিজ।
এ বিষয়ে রাতে বিস্তারিত কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।
দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে এর আগে চার সদস্যের একটি বিশেষ দল গঠন করে দুদক। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালাম।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে বেআইনি কাজ হাসিলের জন্য ঘুষ গ্রহণ, অর্থপাচার ও বেআইনি বিটকয়েন লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া চাঁদাবাজি, স্বজনপ্রীতি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও করা হয়েছে।
সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকার সময় ক্রিকেট বোর্ড গঠনে সরাসরি হস্তক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তাঁর সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের মাধ্যমে বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: