infoamaderdin@gmail.com সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সামিরুল শাহ হত্যা মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন আটক, হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার

দৌলতপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬ ১২:০৭ পিএম

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ তেকালা পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা সামিরুল শাহ (৬২) হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন মন্টু শেখকে প্রযুক্তির সহায়তায় আটক করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার ইশিবপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে দৌলতপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি ঘটনাস্থলের নিকট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নিহত সামিরুল শাহের ছেলে আবু সাইদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান সন্দেহভাজনকে শনাক্ত ও আটক করতে সক্ষম হয়।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র একদিনের মধ্যেই প্রধান সন্দেহভাজনকে আটক এবং হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আদালতে তাকে সোপর্দসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ আরো জানান সামিরুল শাহ হত্যা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে, হত্যাকাণ্ডটি মূলত ঘটে ব্যবসায়িক টাকা পয়সা লেনদেন কে কেন্দ্র করে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


সামিরুল শাহ হত্যা মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন আটক, হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার

দৌলতপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই ২০২৬ ১২:০৭ পিএম

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ তেকালা পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা সামিরুল শাহ (৬২) হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন মন্টু শেখকে প্রযুক্তির সহায়তায় আটক করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার ইশিবপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে দৌলতপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি ঘটনাস্থলের নিকট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নিহত সামিরুল শাহের ছেলে আবু সাইদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান সন্দেহভাজনকে শনাক্ত ও আটক করতে সক্ষম হয়।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র একদিনের মধ্যেই প্রধান সন্দেহভাজনকে আটক এবং হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আদালতে তাকে সোপর্দসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ আরো জানান সামিরুল শাহ হত্যা মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে, হত্যাকাণ্ডটি মূলত ঘটে ব্যবসায়িক টাকা পয়সা লেনদেন কে কেন্দ্র করে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর