infoamaderdin@gmail.com রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক প্রকাশিত: ২৩ আগষ্ট ২০২৬ ১৯:০৮ পিএম

চাহিদামতো সার না পাওয়ায় গুদামের দরজা ভেঙে ২০২ বস্তা ইউরিয়া লুট করেছেন কৃষকরা। ঘটনাটি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর। আজ রবিবার দুপুরে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙা বাজারের গুদামে ঢুকে সার নিয়ে যান স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়রা বলছেন, রোপা-আমনের ভরা মৌসুমে গত তিন দিন থেকে পাচ্ছেন না সার। রবিবার সার দেওয়া হবে- এমন খবর শুনে বিপুল কৃষক ধলডাঙা বাজারে মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের ডিলার পয়েন্টে জড়ো হন।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার লুট করেন।

কৃষকদের অভিযোগ, শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল ১৩২০ বস্তা ইউরিয়া বরাদ্দ পেলেও তা সরবরাহে গড়িমসি করেন। এর মধ্যে গুদামে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা সার। বিক্ষুব্ধ কৃষকরা নিয়ে যান ২০২ বস্তা।

ডিলার তাইফুর রহমানের ভাষ্য, ‘সর্বশেষ ডিও অনুযায়ী ৩৪০ বস্তা সার আমি উত্তোলন করি। আজ বিতরণের সময় বিপুল কৃষক উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুদাম ঘরের দরজা ভেঙে সার লুট করে নিয়ে যান।’

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি মো. আজিমুদ্দিন বললেন, ‘ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। উত্তোলন আরও কম ছিল। সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে কৃষকরা গুদাম থেকে বস্তা নিয়ে গেছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশের তৎপরতায় বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬০ জন কৃষক ৬০ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছেন। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

সম্পর্কিত খবর


কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ আগষ্ট ২০২৬ ১৯:০৮ পিএম

চাহিদামতো সার না পাওয়ায় গুদামের দরজা ভেঙে ২০২ বস্তা ইউরিয়া লুট করেছেন কৃষকরা। ঘটনাটি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর। আজ রবিবার দুপুরে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের ধলডাঙা বাজারের গুদামে ঢুকে সার নিয়ে যান স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়রা বলছেন, রোপা-আমনের ভরা মৌসুমে গত তিন দিন থেকে পাচ্ছেন না সার। রবিবার সার দেওয়া হবে- এমন খবর শুনে বিপুল কৃষক ধলডাঙা বাজারে মেসার্স শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের ডিলার পয়েন্টে জড়ো হন।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ডিলার পয়েন্ট না খোলায় কৃষকরা গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার লুট করেন।

কৃষকদের অভিযোগ, শাহ আমানত এন্টারপ্রাইজের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল ১৩২০ বস্তা ইউরিয়া বরাদ্দ পেলেও তা সরবরাহে গড়িমসি করেন। এর মধ্যে গুদামে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা সার। বিক্ষুব্ধ কৃষকরা নিয়ে যান ২০২ বস্তা।

ডিলার তাইফুর রহমানের ভাষ্য, ‘সর্বশেষ ডিও অনুযায়ী ৩৪০ বস্তা সার আমি উত্তোলন করি। আজ বিতরণের সময় বিপুল কৃষক উপস্থিত হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুদাম ঘরের দরজা ভেঙে সার লুট করে নিয়ে যান।’

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি মো. আজিমুদ্দিন বললেন, ‘ওই ইউনিয়নে চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা সার। উত্তোলন আরও কম ছিল। সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকে কৃষকরা গুদাম থেকে বস্তা নিয়ে গেছে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশের তৎপরতায় বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬০ জন কৃষক ৬০ বস্তা সার ফেরত দিয়ে গেছেন। বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর